আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশে যোগ দিয়েছেন।
হাজারো নেতা-কর্মী সমাবেশে উপস্থিত থেকে নেতাকে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান, যার উত্তরে তারেক রহমানও সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে হাত নেড়েন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের শায়রুল কবির খান জানান, তারেক রহমান ২০০৩ সালের শীতবস্ত্র বিতরণ এবং ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন পরে এই জেলায় ফিরেছেন। জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, সঞ্চালনা করেন জেলা সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী।
সমাবেশ শুরু হয় কোরআন, গীতা ও বাইবেলের পাঠের মাধ্যমে। উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলার দলীয় প্রার্থীরা—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আব্দুস সালাম, জাহিদুর রহমান জাহিদ, নওশাদ জমির, ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং মনজুরুল ইসলাম।
জেলা নেতারা সমাবেশকে নির্বাচনী প্রচারণার গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা ভোটারদের গণতান্ত্রিকভাবে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দলের নীতি ও প্রার্থীদের উদ্দেশ্য তুলে ধরেন।
সমাবেশে অংশগ্রহণ, ঐক্যবদ্ধ নেতা-কর্মী ও উৎসাহী জনগণ অনুষ্ঠানটিকে রাজনৈতিকভাবে সফল ও স্মরণীয় করেছে। সমাপ্তির সময় তারেক রহমান সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান ও আগামী প্রচারণার নির্দেশনা দেন।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে যেকোনো সময় অনুমোদন হতে পারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর কেন্দ্রীয় কমিটি। দলীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, চেয়ারম্যান তারেক রহমান চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন কমিটি নিয়ে আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা চলছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে কারা আসছেন, তা নিয়ে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানের নাম আলোচনায় রয়েছে। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই সাবেক ছাত্রনেতাকে সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখছেন অনেকে। দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে যুবদলকে পুনরুজ্জীবিত করতে নতুন নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এখনো কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলেই নতুন কমিটি প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
বিদেশে চিকিৎসাধীন বিএনপির শীর্ষ নেতা মির্জা আব্বাস-এর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত—এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন পারিবারিক সূত্র। মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টার-এ চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় চিকিৎসকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস জানিয়েছেন, তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে আসন্ন ঈদুল আজহা-র আগেই দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, গত মার্চে রাজধানীতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয় এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের উদ্যোগে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ মে) বিকেলে শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে মিছিলটি বের হয়ে পাকাপুল মোড়, নিউমার্কেট, তুফান মোড়, বড়বাজার ও থানা মসজিদ এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা ১১ দলের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। এ সময় জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, নায়েবে আমির শেখ নূরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারি মো. ওমর ফারুক, মাওলানা ওসমান গণি, শহর শিবির সভাপতি মেহেদি হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে চার দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাবি পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।