রংপুরে হাম ও রুবেলা নির্মূলের লক্ষ্যে চলমান জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে নগরীর আরডিআরএস রোকেয়া হলে আয়োজিত বিভাগীয় এডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, হাম-রুবেলা প্রতিরোধযোগ্য রোগ হলেও সচেতনতার অভাব ও টিকাদানে অনীহার কারণে ঝুঁকি এখনো রয়ে গেছে। তাই ক্যাম্পেইন সফল করতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. গওসুল আজিম চৌধুরী। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক মোজাম্মেল হক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কো-অর্ডিনেটর ডা. জোবায় আল মামুন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী ও সহকারী পরিচালক মেসকাতুল আবেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অনলাইনে বিভাগের আট জেলার জেলা প্রশাসকরা যুক্ত হন। এছাড়া সিভিল সার্জন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধি, স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বলা হয়, প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে মাঠপর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা হবে। এতে শিক্ষক, ইমাম, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। আয়োজনে জানানো হয়, নির্ধারিত সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে এবং দুর্গম ও প্রান্তিক এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থেকে জলঢাকা পর্যন্ত তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলে পানি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মূল ক্যানেলে উভয় ডাইকের মেরামত ও শক্তিশালীকরণের কাজ ঠিকাদারদের অনিয়ম ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিলম্বের কারণে সময়মতো শেষ হয়নি। ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে ৫০ হাজার কৃষক সেচ পাননি। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, প্রধান সেচ ক্যানেলের মেরামত, সম্প্রসারণ এবং সিল ট্রাফ (পলি অপসারণ) কাজ শেষ করে আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে সেচ সুবিধা দেওয়া হবে। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়ম ভেঙে ক্যানেলের কাছে কৃষকের জমিতে মাটি ভরাট করছে, ব্লক বসানোর সময় নিয়ম মানছে না এবং ক্যানেলের অনেক জায়গায় বড় গর্ত ও ভাঙন রয়েছে। এতে কৃষকরা ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, অনিয়ম বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনে তিনি নিজে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে কৃষকদের পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
রংপুরে হাম ও রুবেলা নির্মূলের লক্ষ্যে চলমান জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে নগরীর আরডিআরএস রোকেয়া হলে আয়োজিত বিভাগীয় এডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, হাম-রুবেলা প্রতিরোধযোগ্য রোগ হলেও সচেতনতার অভাব ও টিকাদানে অনীহার কারণে ঝুঁকি এখনো রয়ে গেছে। তাই ক্যাম্পেইন সফল করতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. গওসুল আজিম চৌধুরী। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক মোজাম্মেল হক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কো-অর্ডিনেটর ডা. জোবায় আল মামুন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী ও সহকারী পরিচালক মেসকাতুল আবেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অনলাইনে বিভাগের আট জেলার জেলা প্রশাসকরা যুক্ত হন। এছাড়া সিভিল সার্জন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধি, স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বলা হয়, প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে মাঠপর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা হবে। এতে শিক্ষক, ইমাম, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। আয়োজনে জানানো হয়, নির্ধারিত সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে এবং দুর্গম ও প্রান্তিক এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থেকে জলঢাকা পর্যন্ত তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলে পানি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মূল ক্যানেলে উভয় ডাইকের মেরামত ও শক্তিশালীকরণের কাজ ঠিকাদারদের অনিয়ম ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিলম্বের কারণে সময়মতো শেষ হয়নি। ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে ৫০ হাজার কৃষক সেচ পাননি। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, প্রধান সেচ ক্যানেলের মেরামত, সম্প্রসারণ এবং সিল ট্রাফ (পলি অপসারণ) কাজ শেষ করে আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে সেচ সুবিধা দেওয়া হবে। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়ম ভেঙে ক্যানেলের কাছে কৃষকের জমিতে মাটি ভরাট করছে, ব্লক বসানোর সময় নিয়ম মানছে না এবং ক্যানেলের অনেক জায়গায় বড় গর্ত ও ভাঙন রয়েছে। এতে কৃষকরা ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, অনিয়ম বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনে তিনি নিজে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে কৃষকদের পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে।