আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি দল নারীদের কোনো আসনে প্রার্থী না দেওয়ায় নারী অধিকার হরণের অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাতী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আবুল কালাম আজাদ।
তিনি বলেন, দলটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে নারীদের কাছে ভোট চাইছে, কিন্তু জাতীয় নির্বাচনে তাদের কোনো আসন দেয়নি।
সোমবার (২৪ জানুয়ারি) রংপুর বিভাগের সৈয়দপুরে তাতী দলের আয়োজনে কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবুল কালাম আজাদ অভিযোগ করে বলেন, “মুখে এক কথা বললেও বাস্তবে নারীদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের সময়ও জনগণের পাশে তারা ছিল না।” তিনি দলের অতীত ইতিহাস তুলে ধরেন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন।
তিনি নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন, আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক কমিটি ও উপকমিটি গঠনের মাধ্যমে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রংপুর বিভাগীয় নির্বাচনী প্রচারণা কমিটির সদস্য সচিব আনিস আনসারী। সঞ্চালনা করেন জুয়েল বাবু। প্রধান বক্তা ছিলেন রেজাউল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট এস এম ওবায়দুর রহমান, শহিন আকতার শাহিন, মহিউদ্দিন আবদুল্লাহ আল হাদী ও ফজলে এলাহী ডিউক।
রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট ও নীলফামারীর শতাধিক তাতী নেতাকর্মী সভায় অংশ নেন।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে যেকোনো সময় অনুমোদন হতে পারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর কেন্দ্রীয় কমিটি। দলীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, চেয়ারম্যান তারেক রহমান চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন কমিটি নিয়ে আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা চলছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে কারা আসছেন, তা নিয়ে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানের নাম আলোচনায় রয়েছে। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই সাবেক ছাত্রনেতাকে সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখছেন অনেকে। দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে যুবদলকে পুনরুজ্জীবিত করতে নতুন নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এখনো কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলেই নতুন কমিটি প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
বিদেশে চিকিৎসাধীন বিএনপির শীর্ষ নেতা মির্জা আব্বাস-এর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত—এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন পারিবারিক সূত্র। মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টার-এ চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় চিকিৎসকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস জানিয়েছেন, তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে আসন্ন ঈদুল আজহা-র আগেই দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, গত মার্চে রাজধানীতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয় এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের উদ্যোগে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ মে) বিকেলে শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে মিছিলটি বের হয়ে পাকাপুল মোড়, নিউমার্কেট, তুফান মোড়, বড়বাজার ও থানা মসজিদ এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা ১১ দলের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। এ সময় জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, নায়েবে আমির শেখ নূরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারি মো. ওমর ফারুক, মাওলানা ওসমান গণি, শহর শিবির সভাপতি মেহেদি হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে চার দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাবি পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।