পুলিশ

এবার আ'লীগ নেতাকে আটক করে ছেড়ে দিলেন গোদাগাড়ী থানা পুলিশ

গোদাগাড়ী থানা পুলিশের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতাকে আটকের পর মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহণ করে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র সমালোচনা চলছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) গোদাগাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলীকে আটক করে থানা পুলিশ। আটক মোহাম্মদ আলী (৭০) বালিয়াঘাটা গ্রামের বাসিন্দা। এএসআই সেলিম আটকের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, ওসির নির্দেশে তাকে আটক করা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে রাত ১২টার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়ায় মোটা অংকের অর্থ লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা। তাদের দাবি, থানাটি যেনো “আটক বানিজ্য কেন্দ্রে" পরিনত হয়েছে।এ ঘটনায় বিএনপি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মোহাম্মদ আলী আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এলাকায় বিভাজন সৃষ্টি ও প্রভাব খাটিয়ে অর্থ আদায় করতেন। তার ভয়ে ২০১৮ সালের নির্বাচনে সাধারণ মানুষ ভোট দিতেও বাধাগ্রস্ত হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে একই থানার এএসআই ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, থানায় সেবার পরিবর্তে আটক বাণিজ্য ও মাদক কারবারিদের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় করা হচ্ছে, ফলে এলাকায় অপরাধ বাড়ছে। এ বিষয়ে গোদাগাড়ী থানার ওসি হাসান বাশিরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজশাহী জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন জানান, আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করা হয়েছিল—এটি সত্য। বয়স বিবেচনায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তির বয়স ৭৫+ হবে। উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ সঠিক নয়। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

_ জানুয়ারী ৬, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত

শীর্ষ সপ্তাহ

আকরামুল হাসান
রাজনীতি

যেকোনো সময় অনুমোদন হতে পারে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি, আলোচনায় আকরামুল হাসান

ফাইয়াজ আল শরীফ> মে ১৩, ২০২৬ 0