২০২৫ সালে খুলনা ছিল এক ভয়ংকর বাস্তবতার নগরী। শহরের মানুষ রোজ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আতঙ্কে কাটিয়েছে। শহর ও জেলার বিভিন্ন এলাকা, সড়ক, নদী তীর, আদালত চত্বরে সন্ত্রাস ও হত্যার দখলে। এক বছরের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, খুনের সংখ্যা ৮৩, যার মধ্যে নগরীতে ৩৬ এবং জেলা এলাকায় ৪৬টি। নদী থেকে উদ্ধার হয়েছে কমপক্ষে শতাধিক লাশ। প্রকাশ্যে আদালত চত্বরে জোড়া খুন, একই পরিবারে তিনজন হত্যাসহ নগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ সন্ত্রাসের চিত্র ফুটে উঠেছে।
আলোচিত হত্যাকাণ্ডের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ১১ জুলাই দৌলতপুর মহেশ্বরপাশা পশ্চিমপাড়ায় সাবেক যুবদল নেতা মাহাবুবুর রহমান মোল্লাকে গুলি ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়। ১৭ নভেম্বর মুক্তা কমিশনারের বাড়ির সামনে বৃদ্ধা মহিদুন্নেছা এবং তার দুই নাতি ফাতিহা ও মুস্তাকিম নিহত হন। একই দিনে সোনাডাঙ্গা করিমনগরে আলাউদ্দিন মৃধা গৃহে ঢুকে হত্যা করা হয়। ৩০ নভেম্বর জেলা আদালত চত্বরে হাসিব হাওলাদার ও ফজলে রাব্বি রাজনকে হত্যা করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর শলুয়া বাজারে ইমদাদুল হক মিলন এবং ১৪ ডিসেম্বর রূপসা উপজেলার খানজাহান আলী সেতুর কাছে যশোরের সন্ত্রাসী সাগর নিহত হন।
পুলিশ জানিয়েছে, নগরীতে ৩৬টি খুনের মামলা হয়েছে। হত্যার ১৪টি মূল কারণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মাদক ও সন্ত্রাসী গ্রুপের আধিপত্য ১৩টি, পারিবারিক কলহ ৬টি, প্রেমঘটিত হত্যা ২টি, ইজিবাইক চুরি ২টি, পরকীয়া ২টি, জমি বিরোধ ২টি, চোরাই স্বর্ণ বিক্রয় ১টি, ব্যবসায় টাকা লেনদেন ২টি, টিসিবির লাইনে বিরোধ ১টি, বন্ধু কর্তৃক হত্যা ১টি, মারামারি ঠেকাতে গিয়ে হত্যা ১টি, চুরির উদ্দেশ্যে ঢুকে হত্যা ১টি এবং অজ্ঞাত কারণে ২টি। ২৩টি হত্যা রহস্য উদ্ঘাটিত হলেও ১৩টির রহস্য এখনও সমাধান হয়নি।
মাসভিত্তিক খুনের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জানুয়ারি ৫, ফেব্রুয়ারি ২, মার্চ ৬, এপ্রিল ৯, মে ১০, জুন ৯, জুলাই ২, আগস্ট ১১, সেপ্টেম্বর ৬, অক্টোবর ১৩, নভেম্বর ৬, ডিসেম্বর ৪টি। থানাভিত্তিক : সদর ১০, সোনাডাঙ্গা ৯, লবণচরা ৫, হরিণটানা ৪, খালিশপুর ৩, দৌলতপুর ৩, আড়ংঘাটা ২। জেলার মধ্যে রূপসা ১৩, তেরখাদা ২, দিঘলিয়া ৩, ফুলতলা ৭, ডুমুরিয়া ৭, বটিয়াঘাটা ৪, দাকোপ ৬, পাইকগাছা ১, কয়রা ৩।
২০২৫ সালে শহরে সাতটি বড় সন্ত্রাসী গ্যাং সক্রিয়। শীর্ষ চরমপন্থি নেতাদের জামিনে মুক্তির পর, দৌলতপুরের টাইগার খোকন হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত নাসিমুল গণি ও আরমান শেখ আত্মগোপনে রয়েছেন। পুলিশ বলছে, এ কারণে শহরে নতুন গ্যাং আধিপত্য শুরু করেছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত বাড়ছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা মোতালেব শিকদারের হত্যাচেষ্টায় সুটার ঢাকাইয়া শামীম ও মাহাদিন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) ত ম রোকনুজ্জামান বলেন, ২০২৫ সালে ৩৬টি খুনের মামলার মধ্যে মাদকের আধিপত্য বিস্তার ও সন্ত্রাসী গ্রুপের দৌরাত্ম্য দেখাতে ১৩টি হত্যার ঘটনা ঘটে।
র্যাব-৬-এর কর্মকর্তা নিস্তার আহমেদ জানান, নির্বাচন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সঙ্গে যুক্ত কিছু সন্ত্রাসী গ্রুপের কার্যক্রম বছরজুড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে সন্ত্রাসী ও মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছি।
নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব এড. বাবুল হাওলাদার বলছেন, শহরে সহিংসতা ও হত্যার মাত্রা বেড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও র্যাবের কার্যক্রম যথাযথ হলেও, সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিবন্ধকতা না থাকায় অপরাধীরা আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে।
রূপসা উপজেলার পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। গত এক বছরে সেখানে ১৩টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, অধিকাংশ গুলিতে। পুলিশ ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের জামিনে মুক্তির ফলে এলাকায় আধিপত্যের লড়াই বেড়েছে। চাঁদাবাজি, মাদক, অস্ত্র ব্যবহার ও অন্যান্য স্বার্থ সংশ্লিষ্ট দ্বন্দ্ব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
পুলিশ বলছে, সোর্স নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে হবে, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে এবং রাজনৈতিক আশ্রয়প্রাপ্ত সন্ত্রাসীদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খুলনার অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সামাজিক সচেতনতা, রাজনৈতিক সহযোগিতা ও আইন-শৃঙ্খলা কার্যক্রম একযোগে প্রয়োজন।
২০২৫ সালে খুলনা ছিল এক ভয়ংকর বাস্তবতার নগরী। শহরের মানুষ রোজ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আতঙ্কে কাটিয়েছে। শহর ও জেলার বিভিন্ন এলাকা, সড়ক, নদী তীর, আদালত চত্বরে সন্ত্রাস ও হত্যার দখলে। এক বছরের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, খুনের সংখ্যা ৮৩, যার মধ্যে নগরীতে ৩৬ এবং জেলা এলাকায় ৪৬টি। নদী থেকে উদ্ধার হয়েছে কমপক্ষে শতাধিক লাশ। প্রকাশ্যে আদালত চত্বরে জোড়া খুন, একই পরিবারে তিনজন হত্যাসহ নগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ সন্ত্রাসের চিত্র ফুটে উঠেছে।
আলোচিত হত্যাকাণ্ডের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ১১ জুলাই দৌলতপুর মহেশ্বরপাশা পশ্চিমপাড়ায় সাবেক যুবদল নেতা মাহাবুবুর রহমান মোল্লাকে গুলি ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়। ১৭ নভেম্বর মুক্তা কমিশনারের বাড়ির সামনে বৃদ্ধা মহিদুন্নেছা এবং তার দুই নাতি ফাতিহা ও মুস্তাকিম নিহত হন। একই দিনে সোনাডাঙ্গা করিমনগরে আলাউদ্দিন মৃধা গৃহে ঢুকে হত্যা করা হয়। ৩০ নভেম্বর জেলা আদালত চত্বরে হাসিব হাওলাদার ও ফজলে রাব্বি রাজনকে হত্যা করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর শলুয়া বাজারে ইমদাদুল হক মিলন এবং ১৪ ডিসেম্বর রূপসা উপজেলার খানজাহান আলী সেতুর কাছে যশোরের সন্ত্রাসী সাগর নিহত হন।
পুলিশ জানিয়েছে, নগরীতে ৩৬টি খুনের মামলা হয়েছে। হত্যার ১৪টি মূল কারণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মাদক ও সন্ত্রাসী গ্রুপের আধিপত্য ১৩টি, পারিবারিক কলহ ৬টি, প্রেমঘটিত হত্যা ২টি, ইজিবাইক চুরি ২টি, পরকীয়া ২টি, জমি বিরোধ ২টি, চোরাই স্বর্ণ বিক্রয় ১টি, ব্যবসায় টাকা লেনদেন ২টি, টিসিবির লাইনে বিরোধ ১টি, বন্ধু কর্তৃক হত্যা ১টি, মারামারি ঠেকাতে গিয়ে হত্যা ১টি, চুরির উদ্দেশ্যে ঢুকে হত্যা ১টি এবং অজ্ঞাত কারণে ২টি। ২৩টি হত্যা রহস্য উদ্ঘাটিত হলেও ১৩টির রহস্য এখনও সমাধান হয়নি।
মাসভিত্তিক খুনের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জানুয়ারি ৫, ফেব্রুয়ারি ২, মার্চ ৬, এপ্রিল ৯, মে ১০, জুন ৯, জুলাই ২, আগস্ট ১১, সেপ্টেম্বর ৬, অক্টোবর ১৩, নভেম্বর ৬, ডিসেম্বর ৪টি। থানাভিত্তিক : সদর ১০, সোনাডাঙ্গা ৯, লবণচরা ৫, হরিণটানা ৪, খালিশপুর ৩, দৌলতপুর ৩, আড়ংঘাটা ২। জেলার মধ্যে রূপসা ১৩, তেরখাদা ২, দিঘলিয়া ৩, ফুলতলা ৭, ডুমুরিয়া ৭, বটিয়াঘাটা ৪, দাকোপ ৬, পাইকগাছা ১, কয়রা ৩।
২০২৫ সালে শহরে সাতটি বড় সন্ত্রাসী গ্যাং সক্রিয়। শীর্ষ চরমপন্থি নেতাদের জামিনে মুক্তির পর, দৌলতপুরের টাইগার খোকন হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত নাসিমুল গণি ও আরমান শেখ আত্মগোপনে রয়েছেন। পুলিশ বলছে, এ কারণে শহরে নতুন গ্যাং আধিপত্য শুরু করেছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত বাড়ছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা মোতালেব শিকদারের হত্যাচেষ্টায় সুটার ঢাকাইয়া শামীম ও মাহাদিন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) ত ম রোকনুজ্জামান বলেন, ২০২৫ সালে ৩৬টি খুনের মামলার মধ্যে মাদকের আধিপত্য বিস্তার ও সন্ত্রাসী গ্রুপের দৌরাত্ম্য দেখাতে ১৩টি হত্যার ঘটনা ঘটে।
র্যাব-৬-এর কর্মকর্তা নিস্তার আহমেদ জানান, নির্বাচন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সঙ্গে যুক্ত কিছু সন্ত্রাসী গ্রুপের কার্যক্রম বছরজুড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে সন্ত্রাসী ও মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছি।
নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব এড. বাবুল হাওলাদার বলছেন, শহরে সহিংসতা ও হত্যার মাত্রা বেড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও র্যাবের কার্যক্রম যথাযথ হলেও, সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিবন্ধকতা না থাকায় অপরাধীরা আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে।
রূপসা উপজেলার পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। গত এক বছরে সেখানে ১৩টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, অধিকাংশ গুলিতে। পুলিশ ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের জামিনে মুক্তির ফলে এলাকায় আধিপত্যের লড়াই বেড়েছে। চাঁদাবাজি, মাদক, অস্ত্র ব্যবহার ও অন্যান্য স্বার্থ সংশ্লিষ্ট দ্বন্দ্ব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
পুলিশ বলছে, সোর্স নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে হবে, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে এবং রাজনৈতিক আশ্রয়প্রাপ্ত সন্ত্রাসীদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খুলনার অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সামাজিক সচেতনতা, রাজনৈতিক সহযোগিতা ও আইন-শৃঙ্খলা কার্যক্রম একযোগে প্রয়োজন।
বাগেরহাটের শরণখোলা এলাকার শেলারচরের সিঙেরটেকে বুধবার (১৩ মে) সকালে বনরক্ষীদের সঙ্গে বনদস্যু বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ হয়। দস্যুরা পালিয়ে যায়, কিন্তু তাদের ট্রলার, অস্ত্রসহ চার অপহৃত জেলকে বন বিভাগ জব্দ করে।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর টহল ফাঁড়ি ও স্মার্ট টিম যৌথ অভিযান চালায়। সন্দেহজনক ট্রলার দেখে থামার সঙ্কেত দিলে দস্যুরা গুলি চালায়। পাল্টা গুলিতে লড়াইয়ের পর তারা ট্রলার ফেলে পালায়।
ট্রলার থেকে উদ্ধার হন হাসান (৩০), মাসুম (২৫), ইরাক শেখ (২৮) ও নাছিম (২৫)—শরণখোলা ও খুলনার বটিয়াঘাটার বাসিন্দা। তারা শিকলবন্দী ছিল। মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে শরীফ বাহিনী অপহরণ করেছিল বলে জানা গেছে। জব্দ হয় এক বন্দুক, এক রাউন্ড কার্তুজ ও চার ওয়াকিটকি।
শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম জানান, জব্দ সম্পদ বন বিভাগের হেফাজতে রয়েছে। দস্যুদের ধরতে সুন্দরবনে তল্লাশি চলছে।
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের বিভিন্ন কর্মসূচির সুফল তুলে ধরে পঞ্চগড়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠান হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার শীল।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সীমা শারমিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোশাররফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দারসহ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে ফ্যামিলি কার্ড, খাল পুনঃখনন, বৃক্ষরোপণ, নারীদের জন্য বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থা, কৃষক কার্ড ও কৃষিঋণ মওকুফ কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
এসময় জানানো হয়, ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক এ সুবিধা পাবেন। এছাড়া আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার মৃত ও ভরাট খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। এতে ১২ লাখ কৃষকের ঋণ পরিশোধে সরকারের ব্যয় হয়েছে এক হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
চট্টগ্রাম নগরীর সাগরিকা ফ্লাইওভারে ঝুলন্ত অবস্থায় কাউসার আহমেদ (২৭) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি আকবর শাহ থানা ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় পাহাড়তলী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
পরিবারের অভিযোগ, কাউসারকে হত্যা করে মরদেহ ফ্লাইওভারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে মরদেহে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। নিহত ব্যক্তি একটি কারখানায় নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ও মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে পরিবার জানিয়েছে।
পাহাড়তলী থানার ওসি নুরুল আবছার জানান, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং অপমৃত্যু হিসেবে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।