দীর্ঘ ২২ বছর পর আজ রাতে সিলেটে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাতেই তারেক রহমান মা বেগম খালেদা জিয়ার মতোই শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন।
এরপর বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে পুরোদমে মাঠের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান।তারেক রহমানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
তারেক রহমানের কার্যালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে তিনি সিলেটে নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দেবেন। সেখান থেকে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ এলাকায় পৃথক কয়েকটি নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
সূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি নগরের চৌহাট্টা এলাকার সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন।
এরপর দুপুর ১টায় মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার শেরপুর আইনপুর খেলার মাঠে নির্বাচনী প্রচারণায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার। সেখান থেকে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মাঠে জনসভায় দুপুর আড়াইটার দিকে যোগ দেবেন।
এরপর বিকেল ৪টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের উপজেলার কুট্টাপাড়া খেলার মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে যাবেন তারেক রহমান। সেখান থেকে কিশোরগঞ্জের ভৈরব স্টেডিয়ামে বিকেল ৫টায় জনসভায় অংশ নেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
এ ছাড়া একই দিন সন্ধ্যা ৭টায় নরসিংদী পৌর পার্কের কাছে জনসভায় যাবেন তারেক রহমান। সেখান থেকে রাত সাড়ে ৮টায় নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার পাঁচরুখী এলাকার আনোয়ারা ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দেবেন।
সমাবেশ শেষে রাতে তারেক রহমানের ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে যেকোনো সময় অনুমোদন হতে পারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর কেন্দ্রীয় কমিটি। দলীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, চেয়ারম্যান তারেক রহমান চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন কমিটি নিয়ে আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা চলছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে কারা আসছেন, তা নিয়ে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানের নাম আলোচনায় রয়েছে। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই সাবেক ছাত্রনেতাকে সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখছেন অনেকে। দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে যুবদলকে পুনরুজ্জীবিত করতে নতুন নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এখনো কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলেই নতুন কমিটি প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
বিদেশে চিকিৎসাধীন বিএনপির শীর্ষ নেতা মির্জা আব্বাস-এর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত—এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন পারিবারিক সূত্র। মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টার-এ চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় চিকিৎসকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস জানিয়েছেন, তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে আসন্ন ঈদুল আজহা-র আগেই দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, গত মার্চে রাজধানীতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয় এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের উদ্যোগে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ মে) বিকেলে শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে মিছিলটি বের হয়ে পাকাপুল মোড়, নিউমার্কেট, তুফান মোড়, বড়বাজার ও থানা মসজিদ এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা ১১ দলের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। এ সময় জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, নায়েবে আমির শেখ নূরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারি মো. ওমর ফারুক, মাওলানা ওসমান গণি, শহর শিবির সভাপতি মেহেদি হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে চার দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাবি পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।