জাতীয়

দুবাই ‘লোকেশন’ ভিডিও নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে ফয়সাল

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ মার্চ ২২, ২০২৬

 

হাদি হত্যা মামলার তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদকে ঘিরে ‘লোকেশন বিভ্রান্তি’ সংক্রান্ত প্রশ্ন। ভারতে অবস্থান করেই দুবাইয়ে থাকার ভান করে ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্নে আদালত প্রাঙ্গণে নীরব থাকেন তিনি।

রোববার (২২ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর আদালতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে হাজির করা হলে আদালত তাদের ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আদালত জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)-কে কারাগারে থেকেই জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি প্রদান করেন।

আদালতে তোলার আগে নিয়ম অনুযায়ী অভিযুক্তদের শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে আদালতে হাজির করা হয়।

তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়, রিমান্ড চলাকালে জিজ্ঞাসাবাদে সীমান্ত অতিক্রম, আত্মগোপনের স্থান এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ঘটনাটির সঙ্গে একটি বৃহৎ সংগঠিত নেটওয়ার্ক জড়িত থাকার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে উল্লেখ করা হয়।

আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখে ফয়সাল ও আলমগীর নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ বলে উল্লেখ করেন। তবে পালিয়ে যাওয়ার কারণ কিংবা দুবাই-সংক্রান্ত ভিডিও তৈরির বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে ফয়সাল কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত তাদের পুলিশ রিমান্ডে পাঠায়, যেখানে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও পলায়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য উদঘাটনের দাবি করে তদন্তকারীরা।

মামলার প্রেক্ষাপটে জানা যায়, গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণাকালে সশস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। পরবর্তীতে বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

বর্তমানে তদন্ত সংস্থা ঘটনাটিকে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে গভীর অনুসন্ধান চালাচ্ছে। কারা এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে এবং এতে আর কারা জড়িত—তা নিরূপণে আইনানুগ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

অপপ্রচারে লিপ্ত আওয়ামী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

চিহ্নিত আওয়ামী চক্র বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন বিভাগের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নামার অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিআরএসএ)। সেবার মান ত্বরান্বিত করাসহ বিদ্যমান ভাবমূর্তি ধরে রাখার প্রশ্নে অপপ্রচারে লিপ্ত ছদ্মবেশী এই আওয়ামী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। আজ বৃহস্পতিবার সংগঠনের এক বিবৃতিতে এ দাবির কথা জানিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো বিআরএসএ সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার খন্দকার জামীলুর রহমান এবং খিলগাঁও সাবরেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে রেজিস্ট্রেশন বিভাগ আওয়ামী চক্রের কাছে জিম্মি ছিল।  সম্প্রতি এই চক্রটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা-কর্মচারীকে টার্গেট করে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছে।  এফ আওয়ামী সুবিধাভোগী এসব গুপ্ত চক্র বিভিন্ন অখ্যাত ও নাম সর্বস্ব অনলাইন নিউজ পোর্টাল ব্যবহার করে মিথ্যা ও গুজব তথ্য ছড়িচ্ছে। এরা সাংবাদিক নামধারী এক শ্রেণির চিহ্নিত চাঁদাবাজ। রেজিস্ট্রেশন বিভাগের চৌকস, মেধাবী ও দক্ষ কর্মকর্তাদের চরিত্র হরণ করতে মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে তারা।  বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ এনে সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের সঙ্গে কিছু কর্মকর্তাকে জড়িয়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে যা ইচ্ছা তাই লেখে যাচ্ছে। কোনো প্রকার তথ্য প্রমাণ ছাড়াই, এমনকি আত্মপক্ষ সমর্থনে কারো কোনো বক্তব্য না নিয়ে অনলাইনে এসব অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এর ফলে ভুক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পারিবারিক ও সামাজিকভাবে যেমন : হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছেন, তেমনি আইন মন্ত্রণালয়সহ সরকারের ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে।  বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, রেজিস্ট্রেশন বিভাগের কর্মকাণ্ড নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কারো বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণসহ কোনো অভিযোগ থাকলে সেটি নিয়ে যথাযথভাবে তদন্ত করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এছাড়া তদন্তে কেউ অভিযুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়াও প্রচলিত আইনেও ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।   বিআরএস এরকম যে কোনো উদ্যোগকে সব সময় স্বাগত জানিয়ে আসছে। ফলে নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় হিসেবে তদন্ত করতে পারে। তবে একই সঙ্গে বিআরএসএ আইনমন্ত্রীসহ সরকারের কাছে জোরালোভাবে এ দাবিও জানাতে চায় যে, যারা হীন উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এহেন অপপ্রচার করছে তাদের বিরুদ্ধেও সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।  পাশাপাশি এ বিষয়ে শিগ্‌গিরই বিআরএসএ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0

সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ে ৯০ পদে নিয়োগ

নানকসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলার শুনানি ২৬ এপ্রিল

শাপলা চত্বর মামলায় সাবেক আইজিপি মামুনকে আসামির তালিকায় আনা হবে: চিফ প্রসিকিউটর

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস ভার্চুয়াল সামিটে বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি জরুরি, সমন্বিত ও দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি রাখে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য তাৎক্ষণিক সহায়তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট আন্তর্জাতিক নির্ভরতা ও দুর্বলতাকে স্পষ্ট করেছে। কোনো দেশ এককভাবে এ সংকট মোকাবিলা করতে সক্ষম নয়—এ জন্য আঞ্চলিক সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের মধ্যে সময়সূচি পুনর্বিন্যাস, জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি, রেশনিং ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট ১৯৭০ দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, যা বৈশ্বিক উন্নয়ন অগ্রগতিকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। ভার্চুয়াল এই সম্মেলনে জাপান, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও পূর্ব তিমুরসহ একাধিক দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা অংশ নেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0

‘নিজেরাই নিজেদের সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম’: টিপাইমুখ বাঁধ প্রসঙ্গে স্পিকার

হাদি হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র বিক্রেতা হেলাল ৩ দিনের রিমান্ডে

বাংলাদেশি পাসপোর্টে ভিসা ছাড়াই ৩৬ দেশে প্রবেশের সুবিধা

৫ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে সরকার

জাতীয় সংসদে লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকার পাঁচ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা নিয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরে শূন্য পদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জন নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৪তম দিনের প্রশ্নোত্তরে লিখিত জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও জানান, সারা দেশে ইউনিয়ন ও উপজেলায় খেলার মাঠ উন্নয়ন, আইসিটি খাত সম্প্রসারণ, হাই-টেক পার্ক কার্যক্রম জোরদার এবং পেপাল সেবা চালুর লক্ষ্যে একাধিক কমিটি কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে ৫০০ জনের মধ্যে ১২৯ জন ইতোমধ্যে ভাতার আওতায় এসেছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য জামানতবিহীন বিদেশগামী ঋণ ৩ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ডা. জাহেদ উর রহমান

অন্তর্বর্তী সরকার মবকে প্রশ্রয় দিয়েছে: ডা. জাহেদ

ই-হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

নানক-তাপসের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অভিযোগের শুনানি আজ

0 Comments