দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় দক্ষ জনবল নিয়োগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো) ‘শিক্ষানবিশ লাইনম্যান’ পদে ১,০৩৫ জন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্তসাপেক্ষে আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
চাকরির বিবরণ—
পদের নাম: শিক্ষানবিশ লাইনম্যান
পদসংখ্যা: ১,০৩৫
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ন্যূনতম জিপিএ ৫.০০–এর মধ্যে ৩.০০ সহ উত্তীর্ণ হতে হবে।
শারীরিক যোগ্যতা—
সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি ও স্থাপনায় ওঠানামাসহ কঠোর পরিশ্রমে সক্ষম হতে হবে।
উচ্চতা ন্যূনতম ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, ওজন কমপক্ষে ১১০ পাউন্ড এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি ও স্ফীত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি হতে হবে।
৭ মিনিটে ১ মাইল দৌড় এবং প্যারালাল বারে বিরতিহীনভাবে কমপক্ষে ৫ বার ওঠানামার সক্ষমতা থাকতে হবে। ক্রীড়াক্ষেত্রে পারদর্শীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বয়সসীমা: ১৯ মে ২০২৬ তারিখে ১৮ থেকে ২১ বছর।
বেতন স্কেল: প্রবেশনকালীন ১৫,৫০০ টাকা; প্রবেশন শেষে ১৬,৬০০ টাকা।
আবেদনের নিয়ম:
নির্ধারিত ফরম (ফরম-১) পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ শারীরিক পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। ফরমটি সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহযোগ্য এবং A4 কাগজে স্বহস্তে পূরণ করতে হবে।
আবেদন ফি: ২০০ টাকা (সংশ্লিষ্ট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অনুকূলে পোস্টাল অর্ডার/পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে জমা দিতে হবে)।
নির্দেশনা ও শর্তসমূহ—
১. শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের এমসিকিউ লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে।
২. লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের রচনামূলক পরীক্ষা নেওয়া হবে।
৩. রচনামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে প্রশিক্ষণের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হবে।
৪. প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ প্রার্থীদেরই চূড়ান্তভাবে নিয়োগ প্রদান করা হবে।
শারীরিক পরীক্ষার সময়: ১৯ মে ২০২৬, সকাল ৯টা।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রযোজ্য বিধি-বিধান অনুসরণ করে সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজায়নের আওতায় আনতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের যৌথ উদ্যোগে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১৪ মে বৃহস্পতিবার। আগামীকাল সকাল ১০টায় রাজধানীর নগর ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মোঃ আবদুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইশতিয়াক আজিজ উলফাত এবং সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন ড. কে এম আই মন্টিসহ সংগঠনের সিনিয়র নেতারা। অনুষ্ঠান আয়োজকরা জানিয়েছেন, নগর পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিদের উপস্থিত থেকে সংবাদ কাভারেজ প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দেশে হামের সংক্রমণ ও শিশুমৃত্যু বেড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে টিকা সরবরাহ ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় অবহেলার অভিযোগ উঠেছে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে। প্রতিদিনই নতুন মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (১২ মে) বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীর। তিনি অভিযোগ করেন, হামের কারণে শিশুমৃত্যুর বিষয়টি আড়াল করতে একটি পক্ষ ‘সাফাই’ দিচ্ছে এবং এদেরও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। তিনি সাবেক প্রেসসচিব শফিকুল আলমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের আহ্বান জানান এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহানের বিচার দাবি করা আন্দোলনের প্রতি ইঙ্গিত করেন। অন্যদিকে, হামের টিকা কেন সংগ্রহ করা হয়নি—তা তদন্তে আন্তর্জাতিক মানের একটি কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলবে, তবে এ মুহূর্তে জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রয়োজন নেই।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা না থাকলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলে কঠোর সতর্কতা জানিয়েছেন প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। সোমবার (১১ মে) নগর ভবনে বর্জ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, বাসাবাড়ি থেকে মাসিক ১০০ টাকার বেশি বিল আদায় সম্পূর্ণ অনিয়ম এবং এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত নিয়মে প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিনই অপসারণ না করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির মুখে পড়তে হবে। সভায় আসন্ন ঈদুল আজহা সামনে রেখে বিশেষ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। কোরবানির পর তিন দিনের মধ্যে পুরো নগরী পরিচ্ছন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব কর্মী ও ঠিকাদারদের মাঠে থাকতে হবে বলেও জানানো হয়। কোনো এলাকায় বর্জ্য জমে থাকলে তা প্রশাসনিক ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য করা হবে। ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, রাস্তা, ড্রেন বা খালে ময়লা ফেলা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সেবা নয়, বরং নাগরিক দায়িত্ব হিসেবে কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।