জাতীয়

অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি

Icon
মো: মাজহারুল পারভেজ >
প্রকাশঃ জানুয়ারী ১৩, ২০২৬

রাজধানীসহ সারা দেশে ক্রমেই বাড়ছে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো অত্যাধুনিক বিদেশি অস্ত্রের মজুত গড়ে তুলছে এবং এসব অস্ত্র ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় খুন ও সহিংসতা চালাচ্ছে। এতে আইন শৃঙ্খলা নিয়ে বাড়ছে জনমনে শঙ্কা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কিন্তু নির্দেশ মোতাবেক সফলতা আসছে না। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই আন্ডারওয়ার্ল্ড নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অতীতে চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তার ও কন্ট্রাক্ট কিলিংয়ের জন্য যেসব অস্ত্র মজুদ করা হয়েছিল, তার একটি বড় অংশ এখনো উদ্ধার হয়নি। ফলে সেই অস্ত্রই আসন্ন নির্বাচনে বড় নিরাপত্তাঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। 
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এখনো উন্নতি ঘটেনি। তবে, শিগগিরই এর সমাধান হবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি। সোমবার ঠাকুরগাঁওয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। 
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকার এখনো কোনো অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি, যা সরকারের ব্যর্থতা। সেইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়নি। তবে বিএনপি আশাবাদী খুব শিগগিরই এটির সমাধান হবে।’
জামায়াতের নবগঠিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক বৈঠকে শুক্রবার বলা হয়, দেশে সন্ত্রাস নির্মূলে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। প্রতিনিয়ত মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটছে। অথচ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পরিলক্ষিত হচ্ছে না। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে অবশ্যই চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এদিকে ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনার পর নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তি, ভোটার, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একধরনের ভয় তৈরি হয়েছে। তবে সেটা এখন কমেনি। নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহেই গুলি করে অন্তত চারটি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা কারওয়ান বাজার এলাকার অদূরে তেজতুরী বাজারে বুধবার রাতে গুলি করে হত্যা করা হয় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে।
গাজীপুরে এনসিপির এক কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি করে তাঁর মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। শরীয়তপুরের জাজিরায় একটি ঘরে বিস্ফোরণে দুই যুবক নিহত হন। পুলিশ বলছে, ককটেল তৈরির সময় এই বিস্ফোরণ হয়। এসব ককটেল নির্বাচনী প্রচারে হামলা বা নাশকতার জন্য তৈরি হচ্ছিল কি না, সে সন্দেহও রয়েছে। গত ২৬ ডিসেম্বর ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের একটি বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একতলা ভবনের দুটি কক্ষের দেয়াল উড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঘটনাস্থল থেকে ককটেল, রাসায়নিক দ্রব্য ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
এতে ধারণা করা হচ্ছে চোরাগোপ্তা হামলা, গুলি, হত্যা, বিস্ফোরণ, মব সন্ত্রাস, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার একের পর এক ঘটনা নির্বাচনকেন্দ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি করেছে। এর আগে নির্বাচনী জনসংযোগে হামলা, গুলি হয়েছে। সব মিলিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হচ্ছে অতীতে লুট হওয়া পুলিশের বিপুল পরিমাণ অস্ত্র এখনো পুরোপুরি উদ্ধার না হওয়া। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় লুট হওয়া পাঁচ হাজারের বেশি অস্ত্রের মধ্যে অধিকাংশ উদ্ধার হলেও এখনো এক হাজার ৩২০টি অস্ত্র উদ্ধার বাকি রয়েছে। এসব অস্ত্র যদি অপরাধী চক্রের হাতে সক্রিয় থাকে, তাহলে নির্বাচনকালীন সহিংসতার মাত্রা বহুগুণে বাড়তে পারে।
এ ছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর কাছে থাকা বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্রেরও নির্ভরযোগ্য হদিস এখনো মেলেনি। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর ধারণা, পালিয়ে যাওয়া কিছু নেতাকর্মী এসব অস্ত্র গোপনে সংরক্ষণ করে রেখেছে, যা ভবিষ্যতে নাশকতার কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।
অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভোটকেন্দ্রে সাধারণ ভোটারের উপস্থিতি কমে যেতে পারে, যা নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।
আইএসপিআর জানায়, যৌথ বাহিনীর অভিযানে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ২০টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ১৪৯ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১০টি ককটেল, ধারালো অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, শুধু গত ডিসেম্বরে এক মাসেই উদ্ধার হয়েছে ৯টি পিস্তল, দুইটি এয়ারগান, ১৩টি ম্যাগাজিন, একটি হ্যান্ড গ্রেনেড, ২০ কেজি গানপাউডার, ১২ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, ১৭ কেজি ২০০ গ্রাম পটাশিয়াম নাইট্রেট এবং ৩১৬ রাউন্ড গুলি। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ মাদকও জব্দ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থানাগুলো থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া এবং সীমান্তে ফাঁকফোকর গলিয়ে দেশের অভ্যন্তরে অস্ত্র এসে সন্ত্রাসীদের হাতে পৌঁছানোর ফলে তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে এই পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত হতে পারে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনা করছে, তবে অস্ত্র উদ্ধার খুব সীমিত পরিসরে হয়েছে।
সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্ত এলাকার অন্তত ১৮টি পয়েন্ট দিয়ে দেশে অবৈধ অস্ত্র পাচার হতে পারে, এসব পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। যেগুলোর মধ্যে নিয়মিত অবৈধ অস্ত্র আসছে টেকনাফ, বেনাপোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর ও মেহেরপুর পয়েন্ট দিয়ে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্তে যে পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র জব্দ হয়, তার কয়েক গুণ বেশি অস্ত্র দেশের ভেতরে প্রবেশ করে। এসব অস্ত্র আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে গত সোমবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘দু-চারটা অস্ত্র যে ঢুকছে না, তা না। ঢুকছে এবং এগুলো কিন্তু ধরা হচ্ছে। প্রতিদিনই দেখবেন ধরা হচ্ছে। একটা-দুইটা করে কিন্তু প্রতিদিন, একদিন কিন্তু পাঁচটি বিদেশি পিস্তলও ধরা হয়েছে। কোথাও কোনো রকমের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

অপপ্রচারে লিপ্ত আওয়ামী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

চিহ্নিত আওয়ামী চক্র বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন বিভাগের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নামার অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিআরএসএ)। সেবার মান ত্বরান্বিত করাসহ বিদ্যমান ভাবমূর্তি ধরে রাখার প্রশ্নে অপপ্রচারে লিপ্ত ছদ্মবেশী এই আওয়ামী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। আজ বৃহস্পতিবার সংগঠনের এক বিবৃতিতে এ দাবির কথা জানিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো বিআরএসএ সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার খন্দকার জামীলুর রহমান এবং খিলগাঁও সাবরেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে রেজিস্ট্রেশন বিভাগ আওয়ামী চক্রের কাছে জিম্মি ছিল।  সম্প্রতি এই চক্রটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা-কর্মচারীকে টার্গেট করে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছে।  এফ আওয়ামী সুবিধাভোগী এসব গুপ্ত চক্র বিভিন্ন অখ্যাত ও নাম সর্বস্ব অনলাইন নিউজ পোর্টাল ব্যবহার করে মিথ্যা ও গুজব তথ্য ছড়িচ্ছে। এরা সাংবাদিক নামধারী এক শ্রেণির চিহ্নিত চাঁদাবাজ। রেজিস্ট্রেশন বিভাগের চৌকস, মেধাবী ও দক্ষ কর্মকর্তাদের চরিত্র হরণ করতে মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে তারা।  বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ এনে সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের সঙ্গে কিছু কর্মকর্তাকে জড়িয়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে যা ইচ্ছা তাই লেখে যাচ্ছে। কোনো প্রকার তথ্য প্রমাণ ছাড়াই, এমনকি আত্মপক্ষ সমর্থনে কারো কোনো বক্তব্য না নিয়ে অনলাইনে এসব অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এর ফলে ভুক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পারিবারিক ও সামাজিকভাবে যেমন : হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছেন, তেমনি আইন মন্ত্রণালয়সহ সরকারের ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে।  বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, রেজিস্ট্রেশন বিভাগের কর্মকাণ্ড নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কারো বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণসহ কোনো অভিযোগ থাকলে সেটি নিয়ে যথাযথভাবে তদন্ত করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এছাড়া তদন্তে কেউ অভিযুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়াও প্রচলিত আইনেও ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।   বিআরএস এরকম যে কোনো উদ্যোগকে সব সময় স্বাগত জানিয়ে আসছে। ফলে নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় হিসেবে তদন্ত করতে পারে। তবে একই সঙ্গে বিআরএসএ আইনমন্ত্রীসহ সরকারের কাছে জোরালোভাবে এ দাবিও জানাতে চায় যে, যারা হীন উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এহেন অপপ্রচার করছে তাদের বিরুদ্ধেও সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।  পাশাপাশি এ বিষয়ে শিগ্‌গিরই বিআরএসএ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0

সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ে ৯০ পদে নিয়োগ

নানকসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলার শুনানি ২৬ এপ্রিল

শাপলা চত্বর মামলায় সাবেক আইজিপি মামুনকে আসামির তালিকায় আনা হবে: চিফ প্রসিকিউটর

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস ভার্চুয়াল সামিটে বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি জরুরি, সমন্বিত ও দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি রাখে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য তাৎক্ষণিক সহায়তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট আন্তর্জাতিক নির্ভরতা ও দুর্বলতাকে স্পষ্ট করেছে। কোনো দেশ এককভাবে এ সংকট মোকাবিলা করতে সক্ষম নয়—এ জন্য আঞ্চলিক সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের মধ্যে সময়সূচি পুনর্বিন্যাস, জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি, রেশনিং ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট ১৯৭০ দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, যা বৈশ্বিক উন্নয়ন অগ্রগতিকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। ভার্চুয়াল এই সম্মেলনে জাপান, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও পূর্ব তিমুরসহ একাধিক দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা অংশ নেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0

‘নিজেরাই নিজেদের সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম’: টিপাইমুখ বাঁধ প্রসঙ্গে স্পিকার

হাদি হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র বিক্রেতা হেলাল ৩ দিনের রিমান্ডে

বাংলাদেশি পাসপোর্টে ভিসা ছাড়াই ৩৬ দেশে প্রবেশের সুবিধা

৫ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে সরকার

জাতীয় সংসদে লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকার পাঁচ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা নিয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরে শূন্য পদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জন নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৪তম দিনের প্রশ্নোত্তরে লিখিত জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও জানান, সারা দেশে ইউনিয়ন ও উপজেলায় খেলার মাঠ উন্নয়ন, আইসিটি খাত সম্প্রসারণ, হাই-টেক পার্ক কার্যক্রম জোরদার এবং পেপাল সেবা চালুর লক্ষ্যে একাধিক কমিটি কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে ৫০০ জনের মধ্যে ১২৯ জন ইতোমধ্যে ভাতার আওতায় এসেছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য জামানতবিহীন বিদেশগামী ঋণ ৩ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ডা. জাহেদ উর রহমান

অন্তর্বর্তী সরকার মবকে প্রশ্রয় দিয়েছে: ডা. জাহেদ

ই-হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

নানক-তাপসের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অভিযোগের শুনানি আজ

0 Comments