ফেসব্যাক্সট্ম Camp Nou রেনোভেশন প্রকল্প ২০২৩ সালের জুনে শুরু হয়ে দীর্ঘ বিলম্বের পর, অবশেষে গ্যাম্পার ট্রফির মাধ্যমে ১০ আগস্ট ২০২৫ সালে ‘আংশিক’ কার্যক্রমে ফিরছে বার্সেলোনা। এই সময় পর্যন্ত ক্লাব ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে মিল রেখেও রয়েছে ফিনান্সিয়াল ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ, যা প্রকল্পকে ধাপে এগিয়ে দিয়েছে।
বার্সেলোনা থেকে ২০২৩–২০২৬ সময়ের ‘Espai Barça’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে Camp Nou পুনর্নির্মাণ শুরু হয় ২০২৩ সালের জুনে, যা শুরুতে ডিসেম্বরে সমাপ্ত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা পিছিয়ে সেপ্টেম্বর ২০২৫–এ সরাসরি এবং ২০২৬–এর গ্রীষ্মে সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে reuters.com+15padmagazine.co.uk+15fcbarcelonanoticias.com+15thisismoney.co.uk+3eurofootball.news+3reddit.com+3 ।
মাঠে বায়ো-হাইব্রিড ঘাস বসানো শুরু হয়েছে এপ্রিল ২০২৫–এ, যা মূল যাত্রার সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে ।
১ম ও ২য় স্তরে প্রায় ৩৯,০০০ সিট বসানো সম্পন্ন, ৩য় শ্রেণির ভিত্তিক নির্মাণ চলছে ও VIP রিং‑এর কাঠামো তৈরি দ্রুতগতি পেয়েছে ।
রেনোভেশনের জন্য €১.৪৫–€১.৫ বিলিয়ন ঋণ নেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে €৪২৪ মিলিয়ন বর্তমানে বন্ড ইস্যু করে, ২০২৮ থেকে ২০৩৩-৫০ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়িয়ে পরিশোধ পরিকল্পনা করা হয়েছে ।
এই ধরণের আর্থিক পদক্ষেপ ক্লাবের বার্ষিক রাজস্ব বাড়াতে সাহায্য করবে, বিশেষ করে স্পন্সরশিপ ও টিকিট বিক্রয়ের মাধ্যমে €২০০–€৩৫০ মিলিয়ন সম্ভাব্যভাবে অর্জনের হিসেব আছে ।
গ্যাম্পার ট্রফির আগে সিটি কাউন্সিল, ফায়ার সার্ভিস, মসোস দ’Esquadra ও UEFA-র সাথে বেশ কিছু পারমিট নিতে হবে as.com ।
বার্সেলোনা পাত্তা দিচ্ছে নেই, এবং আশা করছে জুলাই মাসে আংশিকভাবে লাইসেন্স পেয়ে যাবে ।
তবে, VIP সেকশন, পঞ্চম তলা, ছাদ অর্থাৎ “roof” ইনস্টলেশন ২০২৬ গ্রীষ্মে সমাপ্ত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ।
১০ আগস্ট Trofeu Joan Gamper আংশিকভাবে নতুন Camp Nou-তে আয়োজনের পরিকল্পনা, যেখানে আনুমানিক ৫০,০০০–৬০,০০০ দর্শক অংশ নিতে পারে cincodias.elpais.com+13as.com+13elpais.com+13 ।
ছাদ ছাড়া, লিফ্ট, গ্যালারি, ভিআইপি এলাকা ও বাথরুমে কিছু কাজ অসম্পূর্ণ থাকবে — ক্লাব এটি “ট্রায়াল ফেজ” হিসেবে দেখছে, এবং ভক্তদের ধৈর্য কামনা করেছে ।
| উপাদান | অবস্থা | উল্লেখযোগ্য তারিখ |
|---|---|---|
| মাঠ ও সিট | ঘাস বসানো–সিটিং প্রায় সম্পন্ন | এপ্রিল–মে ২০২৫ |
| VIP/তৃতীয় শ্রেণি | কাঠামো তৈরি প্রক্রিয়াধীন | চলমান |
| ছাদ | বিলম্বিত, ২০২৬ গ্রীষ্মে সম্ভাব্য | — |
| পারমিট | অপেক্ষমাণ, জুলাইয়ে মিলতে পারে | — |
| আংশিক খোলা | গ্যাম্পার ট্রফি: ১০ আগস্ট ২০২৫ | ১০ আগস্ট ২০২৫ |
| পূর্ণ উদ্বোধন | ২০২৬ গ্রীষ্মের দিকে | — |
| ঋণ পুনর্গঠন | €৪২৪ মিলিয়ন বন্ড, ২০৩৩–৫০ পর্যন্ত সময়সীমা | জুন ২০২৫ |
Spotify Camp Nou ইউরোপের বৃহত্তম স্টেডিয়াম হিসেবে নতুন করে আত্মপ্রকাশের পথে; তবে নির্মাণ বিলম্ব এবং পারমিট-সংক্রান্ত বাধাগুলি টেকনিক্যাল চ্যালেঞ্জের শুরু। অর্থনৈতিক পুনর্গঠন অর্থসঙ্কট সামলে রাখা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। ক্লাবের এখন মূল অগ্রাধিকার আছে — ১০ আগস্টে আংশিক রিটার্ন দিয়ে ফ্যানদের সাথে পুনঃমিলন ঘটানো। আর এটি যদি সাফল্যের সাথে সফল হয়, তাহলে পরবর্তী বছরের পূর্ণাঙ্গ ক্যাপাসিটিতে ফিরতে সহজ পথ উন্মোচিত হবে।
আর্জেন্টিনার ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনা-এর মৃত্যুকে ঘিরে বহুল আলোচিত বিচার প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হয়েছে, প্রায় এক বছর পর নতুন করে শুনানি কার্যক্রম চালু হলো। ২০২০ সালের নভেম্বরে ৬০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন ম্যারাডোনা। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর গৃহপর্যায়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগে তার সাত সদস্যের মেডিক্যাল টিমের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন করা হয়। এর আগে ২০২৫ সালে বিচার প্রক্রিয়া এক বিচারকের নৈতিক স্খলনসংক্রান্ত বিতর্কে বাতিল হয়ে যায়। অভিযোগ ছিল, বিচারক একটি ডকুমেন্টারিতে মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে নৈতিক বিধি লঙ্ঘন করেছেন—যার পর তাকে অভিশংসনের মুখে পড়তে হয়। নতুন করে শুরু হওয়া এই মামলায় এবার অন্তত ১২০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। চিকিৎসক, নার্স ও মনোচিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ৮ থেকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে বলে জানিয়েছে আদালত সূত্র। ম্যারাডোনার পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে ছাড়ার পর পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও নজরদারির অভাবেই তার মৃত্যু ত্বরান্বিত হয়। আদালত এখন সেই অভিযোগেরই আইনগত নিষ্পত্তির পথে এগোচ্ছে।
চোটের কারণে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) থেকে ছিটকে গেছেন বাংলাদেশি ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। টুর্নামেন্টে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে খেলা এই ব্যাটার কাঁধের লিগামেন্ট ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়ে মাঝপথেই মাঠের বাইরে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। দলীয় সূত্র ও খেলোয়াড়ের ঘনিষ্ঠদের বরাতে জানা গেছে, গত ৩ এপ্রিল মুলতান সুলতান্সের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালে আসিফ আলীর সঙ্গে সংঘর্ষে কাঁধে গুরুতর আঘাত পান ইমন। পরবর্তীতে করা এমআরআই স্ক্যানে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়, যার ফলে তাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে। চোটে হতাশ পারভেজ ইমন নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, পিএসএলের মতো বড় মঞ্চে খেলতে না পারায় তিনি গভীরভাবে দুঃখিত। তবে অভিজ্ঞতা ও দলীয় পরিবেশকে তিনি স্মরণীয় বলে উল্লেখ করেন এবং লাহোর কালান্দার্সের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রথমবারের মতো পিএসএলে অংশ নেওয়া এই ডানহাতি ওপেনার তিনটি ম্যাচে লাহোরের প্রতিনিধিত্ব করেন। মাত্র ১৬১.৩৬ স্ট্রাইক রেটে ৭১ রান করে ইতোমধ্যে নিজের সামর্থ্যের জানান দেন তিনি। তৃতীয় ম্যাচে তার ১৯ বলে ৪৫ রানের বিস্ফোরক ইনিংস ক্রিকেট মহলে দৃষ্টি কাড়ে। চোটের কারণে মৌসুম শেষ হলেও দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও মাঠে ফেরার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন এই তরুণ বাংলাদেশি ব্যাটার।
সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার আফতাব আহমেদ বাংলাদেশের ক্রিকেট পরিবেশকে ‘সার্কাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতভর ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “ক্রিকেট বোর্ডের চলমান কর্মকাণ্ড ও মিডিয়ার অতিরিক্ত প্রচারণায় আসল খেলার গুরুত্ব হারাচ্ছে। যদি টিকিট কিনে আসেন, খেলা দেখার আসল সুযোগটাই পাবেন না।” আফতাব আরও উল্লেখ করেছেন, “আমেরিকায় তিন বছর থাকতে গিয়ে বোর্ডের অবস্থান ও কার্যক্রম বুঝতে পারিনি। এখানে খেলায় নয়, পুরো সার্কাসটাই আলোচ্য। মিডিয়া এমনভাবে খবর পরিবেশন করছে যে, জানতে চাইলেও খবরের বাইরে থাকা সম্ভব নয়।” গত দেড় বছরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে তিনজন সভাপতি পরিবর্তিত হয়েছেন। ২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব নেওয়া ফারুক আহমেদের পর তার কাউন্সিলরশীপ বাতিল হয়। এরপর টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দফায় নির্বাচিত হন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ঘরোয়া লিগ আয়োজন ও শীর্ষ ক্লাবগুলোর বয়কটের কারণে কমিটি কার্যক্রমে ব্যর্থ হয়। তদন্ত শেষে বুলবুলের কমিটি ভেঙে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ নতুন ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করে, যা তামিম ইকবালের নেতৃত্বে সম্প্রতি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এই পুনর্গঠনেও আফতাবের মতো অনেকেই উদ্বিগ্ন, কারণ খেলার পরিবর্তে কেবল প্রশাসনিক অস্থিরতা ও নাটকীয়তা চলছেই।