ফুটবল বিশ্বকাপের আসন্ন উদ্বোধনী আয়োজনে এবার যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বও। বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে সঞ্জয়কে তিন স্বাগতিক দেশজুড়ে আয়োজিত জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পারফর্মার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ফিফা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই আন্তর্জাতিক সংগীত ও ক্রীড়া অঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা এবং দেশীয় ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উচ্ছ্বাস। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ঘিরে এবারের আয়োজনকে বহুজাতিক সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ দিতে যাচ্ছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—এই তিন দেশে পৃথক তিনটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও অ্যাজটেকায় ১১ জুন উদ্বোধনী ম্যাচের আগে পারফর্ম করবেন জে বালভিন ও টাইলা। ১২ জুন কানাডার টরন্টোতে কানাডা–বসনিয়া ম্যাচের আগে মঞ্চে থাকবেন মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেটের পাশাপাশি ডিজে সঞ্জয় ও নোরা ফাতেহি। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে কেটি পেরি ও ব্ল্যাকপিঙ্ক সদস্য লিসাসহ আরও কয়েকজন শিল্পী পারফর্ম করবেন। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ভাষায়, বিশ্বকাপ কেবল খেলাধুলা নয়, এটি বৈশ্বিক সংস্কৃতি ও বিনোদনের মিলনমঞ্চ। এবার সেই মঞ্চে বাংলাদেশি নাম যুক্ত হওয়াকে ইতিবাচক সংযোজন হিসেবেই দেখছেন অনেকে। এদিকে বিশ্বকাপকে ঘিরে সংগীত মহলে ইতোমধ্যে উন্মাদনা শুরু হয়েছে। শাকিরা ও বার্না বয়ের গাওয়া অফিসিয়াল থিম সং নিয়েও আগ্রহ বাড়ছে। মোট ১০৪ ম্যাচের এই বিশ্ব আসরকে ঘিরে ফুটবল ও বিনোদনের সম্মিলিত আয়োজন এখন বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এবার বিশ্বকাপ উদ্বোধনী আয়োজনে মঞ্চ মাতাবেন বাংলাদেশের সঞ্জয় ফুটবল বিশ্বকাপের আসন্ন উদ্বোধনী আয়োজনে এবার যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বও। বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে সঞ্জয়কে তিন স্বাগতিক দেশজুড়ে আয়োজিত জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পারফর্মার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ফিফা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই আন্তর্জাতিক সংগীত ও ক্রীড়া অঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা এবং দেশীয় ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উচ্ছ্বাস। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ঘিরে এবারের আয়োজনকে বহুজাতিক সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ দিতে যাচ্ছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—এই তিন দেশে পৃথক তিনটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও অ্যাজটেকায় ১১ জুন উদ্বোধনী ম্যাচের আগে পারফর্ম করবেন জে বালভিন ও টাইলা। ১২ জুন কানাডার টরন্টোতে কানাডা–বসনিয়া ম্যাচের আগে মঞ্চে থাকবেন মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেটের পাশাপাশি ডিজে সঞ্জয় ও নোরা ফাতেহি। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে কেটি পেরি ও ব্ল্যাকপিঙ্ক সদস্য লিসাসহ আরও কয়েকজন শিল্পী পারফর্ম করবেন। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ভাষায়, বিশ্বকাপ কেবল খেলাধুলা নয়, এটি বৈশ্বিক সংস্কৃতি ও বিনোদনের মিলনমঞ্চ। এবার সেই মঞ্চে বাংলাদেশি নাম যুক্ত হওয়াকে ইতিবাচক সংযোজন হিসেবেই দেখছেন অনেকে। এদিকে বিশ্বকাপকে ঘিরে সংগীত মহলে ইতোমধ্যে উন্মাদনা শুরু হয়েছে। শাকিরা ও বার্না বয়ের গাওয়া অফিসিয়াল থিম সং নিয়েও আগ্রহ বাড়ছে। মোট ১০৪ ম্যাচের এই বিশ্ব আসরকে ঘিরে ফুটবল ও বিনোদনের সম্মিলিত আয়োজন এখন বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
আর্জেন্টিনা সফরকে ঘিরে নতুন করে দলবদল জল্পনার কেন্দ্রে ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে উঠে এসেছে ঐতিহ্যবাহী ক্লাব বোকা জুনিয়র্স। সম্প্রতি বুয়েনস আইরেস সফরের সময় আন্তর্জাতিক ম্যাচ উপলক্ষে সান্তোস দলের সঙ্গে আর্জেন্টিনা পৌঁছান নেইমার। ওই সফরে তিনি বোকা জুনিয়র্সের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কাসা আমারিলা পরিদর্শন করেন এবং ক্লাব প্রেসিডেন্ট হুয়ান রোমান রিকেলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তাকে একটি ব্যক্তিগত নামাঙ্কিত জার্সিও উপহার দেওয়া হয়, যা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রান্সফার গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। তবে ক্লাব সূত্রে জানানো হয়েছে, এটি ছিল সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক সফর এবং দলবদল নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। কর্তৃপক্ষ গুঞ্জনকে গুরুত্ব না দিলেও ভক্তদের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে কৌতূহল বেড়েছে। বর্তমানে সান্তোসে চুক্তিবদ্ধ থাকলেও ক্লাবটির আর্থিক ও কৌশলগত অনিশ্চয়তা এবং নেইমারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন এই জল্পনাকে আরও উসকে দিচ্ছে। যদিও তার বর্তমান চুক্তি ২০২৬ সাল পর্যন্ত কার্যকর, তবুও ফুটবল মহলে তার পরবর্তী গন্তব্য নিয়ে আলোচনা চলছেই। বিশ্লেষকদের মতে, ক্যারিয়ারের শেষ পর্যায়ে এসে নেইমার নতুন চ্যালেঞ্জের সন্ধানে রয়েছেন। সে ক্ষেত্রে দক্ষিণ আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব বা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক লিগে তার সম্ভাব্য গমন—দুই দিকেই জল্পনা সক্রিয় রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রান্সফার বিষয়ে নিশ্চিত না করলেও, বোকা জুনিয়র্সকে ঘিরে নেইমারের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিয়ে ফুটবল বিশ্বে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল পর্যায়ে সমন্বিত পদক্ষেপ জোরদারের দাবি উঠেছে। দেশটির দুই রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ড্রোন হামলাসহ উদীয়মান হুমকি প্রতিরোধে ন্যাশনাল গার্ডকে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি–সংক্রান্ত দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরিত এক চিঠিতে তারা উল্লেখ করেন, বিশ্বকাপের মতো বৃহৎ আন্তর্জাতিক আসরে আকাশসীমা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি ‘একীভূত কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা কাঠামো’ গড়ে তোলা জরুরি। চিঠিতে বলা হয়, আয়োজক শহরগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা, জনবল ঘাটতি এবং আইনি এখতিয়ারসংক্রান্ত জটিলতা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিতে পারে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত মোতায়েনযোগ্য ও অভিজ্ঞ বাহিনী হিসেবে ন্যাশনাল গার্ডকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করা হলে তা কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ফেডারেল দপ্তরগুলোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপকে ঘিরে এক বিকল্প প্রস্তাব, যেখানে ইরান-এর সম্ভাব্য অনুপস্থিতির প্রেক্ষিতে ইতালিকে অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করা হলেও তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইতালির ক্রীড়া কর্তৃপক্ষ। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর ঘনিষ্ঠ বিশেষ দূত পাওলো জাম্পোলি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো-এর কাছে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এটি রাজনৈতিক নয়; বরং জরুরি বিকল্প পরিকল্পনা হিসেবে বিবেচ্য, যদি কোনো কারণে ইরান বিশ্বকাপে অংশগ্রহণে অপারগ হয়। তবে ইতালির সরকারি ও ক্রীড়া মহল এ প্রস্তাবকে নীতিগতভাবে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছে। দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী আন্দ্রেয়া আবোদি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের একমাত্র বৈধ পথ হলো মাঠে অর্জিত যোগ্যতা, কোনো প্রকার প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়। একইসঙ্গে ইতালির অলিম্পিক কমিটি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও প্রস্তাবটিকে ‘অপমানজনক’ ও ‘লজ্জাজনক’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক ক্রীড়া নীতিমালার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে আনুষ্ঠানিক কোনো বাধা আরোপ করা হয়নি, যদিও নিরাপত্তাজনিত কিছু বিষয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এ বিষয়ে রোমে অবস্থিত ইরান দূতাবাসও কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, ক্রীড়াক্ষেত্রে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক ন্যায্য প্রতিযোগিতার নীতির পরিপন্থী। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের প্রস্তাব আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আইন ও যোগ্যতাভিত্তিক অংশগ্রহণের নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে এবং বৈশ্বিক ক্রীড়া কূটনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।
আর্জেন্টিনার ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনা-এর মৃত্যুকে ঘিরে বহুল আলোচিত বিচার প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হয়েছে, প্রায় এক বছর পর নতুন করে শুনানি কার্যক্রম চালু হলো। ২০২০ সালের নভেম্বরে ৬০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন ম্যারাডোনা। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর গৃহপর্যায়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগে তার সাত সদস্যের মেডিক্যাল টিমের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন করা হয়। এর আগে ২০২৫ সালে বিচার প্রক্রিয়া এক বিচারকের নৈতিক স্খলনসংক্রান্ত বিতর্কে বাতিল হয়ে যায়। অভিযোগ ছিল, বিচারক একটি ডকুমেন্টারিতে মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে নৈতিক বিধি লঙ্ঘন করেছেন—যার পর তাকে অভিশংসনের মুখে পড়তে হয়। নতুন করে শুরু হওয়া এই মামলায় এবার অন্তত ১২০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। চিকিৎসক, নার্স ও মনোচিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ৮ থেকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে বলে জানিয়েছে আদালত সূত্র। ম্যারাডোনার পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে ছাড়ার পর পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও নজরদারির অভাবেই তার মৃত্যু ত্বরান্বিত হয়। আদালত এখন সেই অভিযোগেরই আইনগত নিষ্পত্তির পথে এগোচ্ছে।
বিশ্বকাপ শুরুর আর অল্প সময় বাকি থাকতে বড় ধরনের দুশ্চিন্তায় পড়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। একসঙ্গে তিন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার—লাওতারো মার্টিনেজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ও ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো—ইনজুরিতে পড়ায় দলীয় প্রস্তুতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। টটেনহাম ও সান্ডারল্যান্ডের ম্যাচে সংঘর্ষের পর ডান হাঁটুতে আঘাত পান সেন্টার ব্যাক রোমেরো। প্রাথমিকভাবে তিনি খেলা চালিয়ে গেলেও পরে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। তার লিগামেন্টের অবস্থা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে; গুরুতর কিছু ধরা পড়লে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে ইন্টার মিলানের ফরোয়ার্ড লাওতারো মার্টিনেজের পুরনো পেশির ইনজুরি আবার ফিরে এসেছে, যা আক্রমণভাগে আর্জেন্টিনাকে বড় ধাক্কা দিয়েছে। এছাড়া নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ওয়ার্মআপের সময় অস্বস্তি অনুভব করায় ম্যাচ খেলতে পারেননি বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। একসঙ্গে তিন তারকার ইনজুরিতে কোচ লিওনেল স্কালোনির কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ম্যাচ পরিচালনার জন্য রেফারিদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে FIFA। দীর্ঘ তিন বছরের মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণ শেষে মোট ৫২ জন প্রধান রেফারি, ৮৮ জন সহকারী রেফারি এবং ৩০ জন ভিডিও ম্যাচ অফিশিয়ালকে মনোনীত করা হয়েছে। আসন্ন বিশ্বকাপে ৪৮ দল অংশ নেবে এবং মোট ১০৪টি ম্যাচ পরিচালনার জন্য বাড়তি সংখ্যক অফিশিয়াল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা পূর্ববর্তী আসরগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ফিফার মতে, মাঠে ধারাবাহিক ও উচ্চমানের পারফরম্যান্স প্রদর্শনকারী কর্মকর্তারাই কেবল এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন। পিয়েরলুইজি কলিনার নেতৃত্বাধীন রেফারি কমিটি জানিয়েছে, নির্বাচিত কর্মকর্তাদের শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি মানসিক প্রস্তুতিও বিশেষভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ জন্য চিকিৎসা ও ফিটনেস সহায়তার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফিফার রেফারি কমিটির চেয়ারম্যান এবং কিংবদন্তি পিয়েরলুইজি কলিনা এবারের আসরে নারী রেফারিদের অংশগ্রহণও বৃদ্ধি পেয়েছে; ছয়জন নারী ম্যাচ অফিশিয়াল তালিকায় জায়গা পেয়েছেন, যা ফিফার অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতির ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে। প্রযুক্তিগত দিক থেকেও আসছে বড় পরিবর্তন। গোল-লাইন প্রযুক্তি ও সেমি-অটোমেটেড অফসাইড সিস্টেমের উন্নত সংস্করণের পাশাপাশি যুক্ত হচ্ছে কানেক্টেড বল প্রযুক্তি। সবচেয়ে আলোচিত সংযোজন হিসেবে থাকছে রেফারিদের বডি ক্যামেরা, যা প্রথমবারের মতো দর্শকদের সরাসরি মাঠের ভেতরের দৃষ্টিকোণ দেখার সুযোগ দেবে। ফিফা জানিয়েছে, খেলার গতি বাড়ানো এবং সময় অপচয় রোধে নতুন আইএফএবি অনুমোদিত নিয়মাবলীও কার্যকর হবে, পাশাপাশি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (VAR) প্রোটোকলে আনা হয়েছে একাধিক সংশোধন।
দক্ষিণ এশীয় ফুটবলে নতুন অধ্যায় রচনা করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল। দীর্ঘদিনের ফাইনাল হতাশা কাটিয়ে অবশেষে প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে পেনাল্টি শ্যুটআউটে ৪-৩ ব্যবধানে পরাজিত করে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য ড্র থাকার পর ম্যাচটি গড়ায় টাইব্রেকারে, যেখানে উভয় দলের খেলোয়াড়রা চরম স্নায়ুচাপে শট নেন। বাংলাদেশের হয়ে মোর্শেদ, চন্দন ও ফাহিম গোল করে দলকে এগিয়ে রাখেন। গোলরক্ষক মাহিনও গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে ম্যাচে প্রভাব বিস্তার করেন। পঞ্চম শটে ভারতের ব্যর্থতার পর ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে এগিয়ে আসেন রোনান সুলিভান। আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে নেওয়া তার পেনাল্টি জালে জড়াতেই নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের জয়। উল্লেখ্য, এর আগে অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ে ফাইনালে তিনবার ভারতের মুখোমুখি হয়ে পরাজিত হয়েছিল বাংলাদেশ। তবে এবারের জয়ে সেই ধারার অবসান ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করল দলটি। বিশ্লেষকদের মতে, এই জয় শুধু একটি শিরোপা নয়; বরং এটি মানসিক প্রতিবন্ধকতা ভেঙে বাংলাদেশের ফুটবলে আত্মবিশ্বাস ও সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
দীর্ঘ ২৫ বছর পর আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভিয়েতনামের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) হ্যানয়ের হাং জু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হওয়া ম্যাচকে সামনে রেখে কোচ হ্যাভিয়ের কাবরেরা শক্তিশালী একাদশ ঘোষণা করেছেন, যেখানে শেষ মুহূর্তের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীকে রাখা হয়েছে। ফিফা র্যাংকিংয়ে ১৮১ নম্বরে থাকা বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভিয়েতনাম অবস্থান করছে ১০৫ নম্বরে, যা দুই দলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান নির্দেশ করে। তবুও প্রতিযোগিতামূলক লড়াইয়ের প্রত্যাশা করছেন কোচিং স্টাফ। দলে গোলরক্ষক হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন মেহেদী হাসান শ্রাবণ। রক্ষণভাগে আছেন শাকিল আহাদ তপু, তারিক কাজী ও সাদ উদ্দিন। অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করবেন সোহেল রানা। কার্ড জটিলতা কাটিয়ে একাদশে ফিরেছেন ফাহমিদুল ইসলাম, আর আক্রমণভাগে থাকছেন সামিত সোম ও জায়ান আহমেদ। বাংলাদেশ দল পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামছে, যেখানে কৌশলগত ভারসাম্য ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ জানানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
হোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের পর ফের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করেছে এফসি বার্সেলোনা। ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হচ্ছেন লাপোর্তা, যেখানে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছেন ভিক্টর ফন্ট। আগামী ১৫ মার্চ অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনকে ঘিরে ক্লাবের ভবিষ্যৎ কাঠামো, ক্রীড়া দর্শন ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে বার্সেলোনার দুই কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও জাভি হার্নান্দেজের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। জাভি প্রকাশ্যে ভিক্টর ফন্টের পক্ষে অবস্থান নিলেও, লিওনেল মেসি এবার নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দিয়ারিও স্পোর্তসহ একাধিক ইউরোপীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত ব্যস্ততা এবং বর্তমানে ক্লাবের সঙ্গে প্রত্যক্ষ কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা না থাকায় মেসি এবারের নির্বাচনে ভোট দেবেন না। একই সঙ্গে তিনি কোনো প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ বা প্রকাশ্য সমর্থন দিতেও আগ্রহী নন। প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান সভাপতি লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক কার্যত নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। আবার ভিক্টর ফন্ট জয়ী হলে মেসির সঙ্গে যোগাযোগ করার ঘোষণা দিলেও, সে আহ্বানেও এখনো সাড়া দেননি আর্জেন্টাইন তারকা। বার্সেলোনার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মেসি ক্লাবের আজীবন সদস্য হিসেবে ভোট দেওয়ার অধিকার রাখেন, তবে ভোট না দেওয়াকে ক্লাবের প্রতি অনাগ্রহ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। তিনি দূর থেকেই ক্লাবের মঙ্গল কামনা করছেন। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে মেসি সশরীরে ন্যু ক্যাম্পে এসে ভোট দিয়েছিলেন, যা তখন ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলায় ব্যস্ত থাকায় এবং অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়াতেই এবার নিরপেক্ষ থাকার পথ বেছে নিয়েছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার। ফুটবল বিশ্ব এখন অপেক্ষায় ১৫ মার্চের নির্বাচনের, যেখানে নির্ধারিত হবে বার্সেলোনার আগামী দিনের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে। পোখারার রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের ৩ মিনিটে মামনি চাকমার কর্নার থেকে প্রতিমা মুন্দা প্রথম গোল নিশ্চিত করেন। পরবর্তীতে কোচ পিটার বাটলার দুটি পরিবর্তন আনার পর দলের আক্রমণ আরও শক্তিশালী হয়, এবং আলপি আক্তার ফ্রি কিক থেকে দ্বিতীয় গোলটি করেন। দ্বিতীয়ার্ধে আলপি আক্তার আরও দুটি গোল করেন, ৬৭ মিনিটে এবং ৮২ মিনিটে ক্রানুসিং মারমার ক্রস থেকে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন। রাউন্ড রবিন লিগের সব তিনটি ম্যাচ জিতে ৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করে সেরা অবস্থানে থাকলো বাংলাদেশ, ভারতের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট। শনিবার এই দুই দল শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে।
ফুটবলের কিংবদন্তি সৈয়দ আব্দুস সামাদ বা মহাজাদুকর সামাদ এর ৬২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি)। সামাদ ১৯৬৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পার্বতীপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯১৫ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত ২৩ বছর খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি তার অপূর্ব দক্ষতা এবং জাদুকরী ফুটবল খেলায় দেশ-বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ক্রীড়াজগতের চমকপ্রদ ঘটনা ও তার অভিনব খেলার কৌশল আজও খেলাপ্রেমীদের মুখে মুখে জীবন্ত। সামাদ ১২ বছর বয়সে কোলকাতা মেইন টাউন ক্লাবে ফুটবল খেলা শুরু করেন। পরবর্তীতে ত্ররিয়িন্স ক্লাব, তাজ হাট ক্লাব, অল ইন্ডিয়া দল ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে খেলেছেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর পার্বতীপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি রেলওয়েতে কর্মরত থাকলেও তার খ্যাতির কারণে নতুন পদ সৃষ্টি হয়। সামাদের স্মৃতি বিজড়িত ফুটবল মিলনায়তন ও বাড়ি বর্তমানে দখল হয়ে নষ্ট হতে বসেছে। সরকারি পর্যায়ের কোনো উদ্যোগ না থাকায় নতুন প্রজন্ম তার অবদান ভুলে যেতে বসেছে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, সামাদের জীবন ও কৃতিত্ব প্রাথমিক শিক্ষাপাঠ্য ও পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও তার ইতিহাস থেকে শিক্ষালাভ করতে পারে।
২৩ বছরের ট্রিনিটি রডম্যান নারী ফুটবলের ইতিহাস গড়লেন। ফুটবলের কেরিয়ারে মাত্র কিছু বছর কাটলেও, ট্রিনিটি রডম্যান নারী ফুটবলে বিশ্বসেরা আয়কারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নারী সুপার লিগের (এনডব্লুএসএল) ওয়াশিংটন স্পিরিটের সঙ্গে তিন বছরের নতুন চুক্তি করে তিনি প্রতি বছরে বোনাসসহ ২০ লাখ ডলার (প্রায় ২৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা) উপার্জন করবেন। এই চুক্তি অনুযায়ী ২০২৮ পর্যন্ত তিনি ক্লাবের হয়ে খেলবেন। রডম্যানের আগের চুক্তি ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ায় তিনি ফ্রি এজেন্ট ছিলেন। নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের পর তিনি উচ্ছ্বসিত, বলেন, “এটা আমার জীবনের অন্যতম বড় ঘটনা, যা সব কিছু বদলে দেবে।” ট্রিনিটি সাবেক বাস্কেটবল তারকা ডেনিস রডম্যানের কন্যা এবং ২০২১ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে স্পিরিটে যোগ দিয়ে উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছিলেন। তিনি ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র নারী জাতীয় দলের ক্রীড়াবিদ হিসেবেও খেলবেন। এই চুক্তির মাধ্যমে ট্রিনিটি স্পেনের আইতানা বোনমাতিকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ আয় করা নারী ফুটবলারের মর্যাদা অর্জন করেছেন।
Hamza Choudhury–র (লেস্টার সিটি) বাংলাদেশে খেলার ঘোষণা BFF–এর জন্য প্ররোচনা হিসেবে কাজ করেছে। স্পীডস্টার ফুটবলার হিসেবে তার অভিষেকের পর, BFF একাধিক প্রবাসী ট্যালেন্ট খুঁজে বের করে বাংলাদেশ দলে নেওয়ার পরিকল্পনা শুরু করেছে। 🔹 বিদেশি মূল–বিশ্বে পরিচিত কিছু নাম শামীট সোম (Shamit Som/Shamit Shome): কানাডায় থাকা ২৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কানাডার জাতীয় দলেরও অংশ ছিলেন। BFF–র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাহাদ করিম জানিয়েছেন, তৈরি হয়েছে দুই সপ্তাহের সময়, যাতে তিনি ক্লাব ও কোচদের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশে খেলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন । এর পাশাপাশি, ফাহামিদুল ইসলাম (ইতালির চতুর্থ বিভাগ), ফারহান মাহমুদ (ফ্রান্স), ক্যারিম হাসান স্মিথ, ইলমান মাতিন, ও আশিকুর রহমান (ইংল্যান্ড), নাবিদ আহমেদ (কানাডা), আমির সামি (যুক্তরাষ্ট্র) সহ ১৩ দেশের ৩২ জন বিদেশি খেলোয়াড় BFF–র নজরে এসেছে । 🔹 ট্রায়াল ও পরিকল্পনা BFF ছয় থেকে সাত দিনব্যাপী ১–৫ জুন ২০২৫ ট্রায়ালের আয়োজন করেছে ঢাকায়, যেখানে প্রবাসী ১৬–২০ বছর বয়সী খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স যাচাই করা হবে । BFF–র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাহাদ করিম জানান, এটি দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি–বাংলাদেশি যোগ উইঙ্গার বা মিডফিল্ডার হিসেবে সম্ভাবনাময় জুড়ির একটি চেষ্টার অংশ en.wikipedia.org। 🔹 Hamza Choudhury–এর ভূমিকা ও প্রভাব Hamza–র বাংলাদেশ দলে অন্তর্ভুক্তির পরে BFF–র উদ্যোগ আরো জোরালো হয়েছে। তিনি অক্টোবর ২০২৪–এ FIFA অনুমোদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ দলের জন্য যোগ্যতা পান tds-images.thedailystar.net+3dhakatribune.com+3thedailystar.net+3। BFF–র প্রেসিডেন্ট তাবিথ আওয়াল ও নির্বাহী সদস্য ইমতিয়াজ হামিদ সভুজ–এর সাথে UK’র King Power স্টেডিয়ামে দেখা করেন; এসময় Hamza–র সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরি করা হয় — যা BFF–র বিদেশি খেলোয়াড়দের প্রলোভনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে । BFF মূলত চায়, Hamza কেবল মাঠেই নয়,Pro-ফর্ম ও আন্তর্জাতিক মানে গাইড হিসেবে কাজ করুক এবং তাকে অনুসরণ করে অন্য প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা বাংলাদেশ দলে আসুক reddit.com+14jagonews24.com+14dhakatribune.com+14। 🔹 ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সচরাচর বিদেশি জাতীয় দল ইতিবাচক ভাবে একাধিক ম্যাচের জটিলতা সামলে প্রবাসীদের গ্রহণে সময় নেয়, তবে BFF–র পরিকল্পনায় প্রথম ফোকাস থাকবে বিদেশে জন্ম বা প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত যুববলদের, যেন তারা দ্রুত জাতীয় দলের সঙ্গে তাল মিলাতে পারে । সামিট সোম–এর জিপিএস–ম্যাপ হওয়া, স্কুলছাত্রদের টুর্নামেন্ট থেকে উঠে আসা andere তরুণদের ধরে বাংলাদেশের শিবিরে যোগ দিতে ইচ্ছুক— জুজের পথ প্রশস্ত হতে পারে আগামী মাসগুলোতে। সংক্ষেপে বিষয় পরিস্থিতি প্রবাসী খেলোয়াড়দের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৩২ জন (১৩ দেশ) প্রধান উদাহরণ Hamza Choudhury, Shamit Shome ট্রায়াল সময় জুন ২০২৫ গতিগতি Hamza–র অভিষেক ও FIFA অনুমোদনের পর BFF–র আরো সক্রিয় পদক্ষেপ লক্ষ্য বিদেশি-প্রমাণ পয়েন্টে প্রয়োগযোগ্য ফুটবলারদের সন্ধান ও সংযোজন বিশ্লেষণ খেলোয়াড় sourced from Europe/N. America–এর সংখ্যা বাড়ছে—এটা বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য স্বপ্নের সম্ভাবনা। Hamza Choudhury–র অভিজ্ঞতা মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে। BFF–র লক্ষ্য, এই প্রবাসীদের inclusion–এর মাধ্যমে জাতীয় দলে গুণগত মান ও প্রতিযোগিতা বাড়ানো—এতে SAFF, AFC, ও বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় দলটি শক্তিশালী দাঁড়াতে পারবে। তবে এই পরিকল্পনা সফল করতে হলে BFF–কে পারমিট, ক্লাব-নমঞ্জুরি, এবং FIFA–এর clearance ত্বরান্বিত করতে হবে। পাশাপাশি ম্যাচফিটনেস ও জাতীয় আদর্শে খেলোয়াড়দের অভ্যস্ত করতে হবে। প্রবাসী প্রজন্মের সুশৃঙ্খল তালিকাভুক্তকরণ প্রতিযোগিতামূলক মান উন্নত করবে। Shamit Shome–এর মতো অভিজ্ঞ ও তরুণ মুখগুলোর দ্রুত বাংলাদেশ দলে সংযোজন সম্ভাব্য হলে, ভবিষ্যতে প্রবল প্রভাব বিস্তার করতে ব্যর্থ হবে না।
ফেসব্যাক্সট্ম Camp Nou রেনোভেশন প্রকল্প ২০২৩ সালের জুনে শুরু হয়ে দীর্ঘ বিলম্বের পর, অবশেষে গ্যাম্পার ট্রফির মাধ্যমে ১০ আগস্ট ২০২৫ সালে ‘আংশিক’ কার্যক্রমে ফিরছে বার্সেলোনা। এই সময় পর্যন্ত ক্লাব ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে মিল রেখেও রয়েছে ফিনান্সিয়াল ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ, যা প্রকল্পকে ধাপে এগিয়ে দিয়েছে। সময়সূচির পরিবর্তন ও প্রগতির সারাংশ বার্সেলোনা থেকে ২০২৩–২০২৬ সময়ের ‘Espai Barça’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে Camp Nou পুনর্নির্মাণ শুরু হয় ২০২৩ সালের জুনে, যা শুরুতে ডিসেম্বরে সমাপ্ত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা পিছিয়ে সেপ্টেম্বর ২০২৫–এ সরাসরি এবং ২০২৬–এর গ্রীষ্মে সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে reuters.com+15padmagazine.co.uk+15fcbarcelonanoticias.com+15thisismoney.co.uk+3eurofootball.news+3reddit.com+3 । মাঠে বায়ো-হাইব্রিড ঘাস বসানো শুরু হয়েছে এপ্রিল ২০২৫–এ, যা মূল যাত্রার সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে । ১ম ও ২য় স্তরে প্রায় ৩৯,০০০ সিট বসানো সম্পন্ন, ৩য় শ্রেণির ভিত্তিক নির্মাণ চলছে ও VIP রিং‑এর কাঠামো তৈরি দ্রুতগতি পেয়েছে । আর্থিক পুনর্গঠন ও ঋণের অধঃবিন্যাস রেনোভেশনের জন্য €১.৪৫–€১.৫ বিলিয়ন ঋণ নেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে €৪২৪ মিলিয়ন বর্তমানে বন্ড ইস্যু করে, ২০২৮ থেকে ২০৩৩-৫০ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়িয়ে পরিশোধ পরিকল্পনা করা হয়েছে । এই ধরণের আর্থিক পদক্ষেপ ক্লাবের বার্ষিক রাজস্ব বাড়াতে সাহায্য করবে, বিশেষ করে স্পন্সরশিপ ও টিকিট বিক্রয়ের মাধ্যমে €২০০–€৩৫০ মিলিয়ন সম্ভাব্যভাবে অর্জনের হিসেব আছে । প্রশাসনিক বাধা ও অনুমোদন প্রক্রিয়া গ্যাম্পার ট্রফির আগে সিটি কাউন্সিল, ফায়ার সার্ভিস, মসোস দ’Esquadra ও UEFA-র সাথে বেশ কিছু পারমিট নিতে হবে as.com । বার্সেলোনা পাত্তা দিচ্ছে নেই, এবং আশা করছে জুলাই মাসে আংশিকভাবে লাইসেন্স পেয়ে যাবে । তবে, VIP সেকশন, পঞ্চম তলা, ছাদ অর্থাৎ “roof” ইনস্টলেশন ২০২৬ গ্রীষ্মে সমাপ্ত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে । ⚽ গ্যাম্পার ট্রফি ও স্বাগতম চান্স ১০ আগস্ট Trofeu Joan Gamper আংশিকভাবে নতুন Camp Nou-তে আয়োজনের পরিকল্পনা, যেখানে আনুমানিক ৫০,০০০–৬০,০০০ দর্শক অংশ নিতে পারে cincodias.elpais.com+13as.com+13elpais.com+13 । ছাদ ছাড়া, লিফ্ট, গ্যালারি, ভিআইপি এলাকা ও বাথরুমে কিছু কাজ অসম্পূর্ণ থাকবে — ক্লাব এটি “ট্রায়াল ফেজ” হিসেবে দেখছে, এবং ভক্তদের ধৈর্য কামনা করেছে । সারসংক্ষেপ উপাদান অবস্থা উল্লেখযোগ্য তারিখ মাঠ ও সিট ঘাস বসানো–সিটিং প্রায় সম্পন্ন এপ্রিল–মে ২০২৫ VIP/তৃতীয় শ্রেণি কাঠামো তৈরি প্রক্রিয়াধীন চলমান ছাদ বিলম্বিত, ২০২৬ গ্রীষ্মে সম্ভাব্য — পারমিট অপেক্ষমাণ, জুলাইয়ে মিলতে পারে — আংশিক খোলা গ্যাম্পার ট্রফি: ১০ আগস্ট ২০২৫ ১০ আগস্ট ২০২৫ পূর্ণ উদ্বোধন ২০২৬ গ্রীষ্মের দিকে — ঋণ পুনর্গঠন €৪২৪ মিলিয়ন বন্ড, ২০৩৩–৫০ পর্যন্ত সময়সীমা জুন ২০২৫ Spotify Camp Nou ইউরোপের বৃহত্তম স্টেডিয়াম হিসেবে নতুন করে আত্মপ্রকাশের পথে; তবে নির্মাণ বিলম্ব এবং পারমিট-সংক্রান্ত বাধাগুলি টেকনিক্যাল চ্যালেঞ্জের শুরু। অর্থনৈতিক পুনর্গঠন অর্থসঙ্কট সামলে রাখা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। ক্লাবের এখন মূল অগ্রাধিকার আছে — ১০ আগস্টে আংশিক রিটার্ন দিয়ে ফ্যানদের সাথে পুনঃমিলন ঘটানো। আর এটি যদি সাফল্যের সাথে সফল হয়, তাহলে পরবর্তী বছরের পূর্ণাঙ্গ ক্যাপাসিটিতে ফিরতে সহজ পথ উন্মোচিত হবে।
ফ্রান্সের সাতবারের চ্যাম্পিয়ন Olympique Lyonnais (OL) এক বিপদের মুখে পড়েছে — ক্রীড়া না খেলার কারণে নয়, বরং আর্থিক অস্বচ্ছতা ও ঋণ বোঝাইয়ের কারণে তাদের শাস্তি হিসেবে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভভাবে Ligue 1 থেকে Ligue 2-তে নামানো হয়েছে। কী ঘটেছে? LFP-র নিয়ন্ত্রক সংস্থা DNCG ২০২৪ সালের নভেম্বরেই Lyonকে আর্থিক অস্থিতিশীলতার জন্য সতর্ক করেছিল। তারপরও ক্লাব দেড়শো মিলিয়নের বেশি নিশ্চিত তহবিল না জমিয়ে জুনে তাদের নিশ্চিতভাবে অবনমনের নির্দেশ দেন aftonbladet.se+15beinsports.com+15en.wikipedia.org+15reddit.com+1reddit.com+1reddit.com+4indiatoday.in+4indiatoday.in+4। OL-এর মালিক John Textor আর ইকোনমিক পরিস্থিতি নিয়ে তাদের সতর্কতা উপেক্ষা করে; যদিও মেডিয়া সেলস এবং প্লেয়ার ট্রান্সফার থেকে আয় ছিল, তাও DNCG-কে মিটাতে পারল না । ক্লাব ও মালিক অভিযোগ করছে, “আমরা যথেষ্ট তহবিল জমিয়েছি, এবং ঠান্ডা মাথায় দেখি কিভাবে এটা অলিম্পিক উইথ এফেল্ট করবে”—তাই তারা আপিল জমা দিয়েছে । আর্থিক পটভূমি & ঋণের পরিমাণ DNCG রিপোর্ট অনুযায়ী, OL-এর দেড়শো মিলিয়ন ইউরোর ঋণ আছে। John Textor-এর হোল্ডিং সংস্থা Eagle Football Group-এর দায়ও প্রায় €445–422 মিলিয়ন reddit.com+15ft.com+15indiatoday.in+15। ক্যাপিটাল ইনজেকশনের অধীনে Crystal Palace-এর একটি স্টেক বিক্রি করার পরও Lyon তাদের আর্থিক স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি indiatoday.in। ক্লাবের প্রতিক্রিয়া Lyon তাদের অবনমন "বিশ্বাসঘাতক ও অযৌক্তিক" বলেছে এবং দ্রুত apel (appeal) জমা দিয়েছে । প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে ক্লাবের মালিক কিছু কার্যক্রম নিয়েছেন: Crystal Palace থেকে স্টেক বিক্রি, নারী দলের বিক্রি, প্লেয়ার বিক্রয়াদি — যাতে নগদ প্রবাহ বাড়ানো যায় । ক্রীড়া প্রভাব যদিও Lyon লিগে ছয় নম্বরে শেষ করেছে এবং ইউরোপে জায়গা পেয়েছিল, প্রশাসনিক অবনমন ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় বাধা হিসেবে দাঁড়াতে পারে indiatoday.in+13theplayoffs.news+13talksport.com+13। UEFA মাল্টি‑ক্লাব হয়রানির কারণে Lyon-এ Europa League-র কোটা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে; কৃষকভাবে তারা ডিসকোয়ালিফাইড হলে অন্য ক্লাব যেমন Strasbourg বা Crystal Palace প্রভাবিত হতে পারে । কি হতে পারে পরবর্তী ধাপ? DNCG‑তে আপিল: Lyon-এর আপিল সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ার সম্ভাবনা আছে thekenyatimes.com+10as.com+10beinsports.com+10। অর্থ সংকটের পুনর্মূল্যায়ন: ক্লাবকে সম্ভবত নতুন গ্যারান্টি দেখাতে হবে। যদি পুনরায় ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের স্থান ধরে নিতে পারে Stade Reims । ইউরোপ ব্যবস্থা: Lyon নিশ্চিত করতে চাইবে Europa League-এ খেলতে পারে কি না—UEFA-মাল্টি ownership বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সারসংক্ষেপ বিষয় বিবরণ স্থিতি DNCG-র প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত: Ligue 2-এ অবনমন ঋণের পরিমাণ প্রায় €422–445 মিলিয়ন যোগ্যতা Ligue 1-এ 6ম স্থান; ইউরোপে Europa League-এ জায়গা দেওয়া হয়েছিল ক্লাব প্রতিক্রিয়া “অযৌক্তিক” বলছে, আপিলে যাচ্ছে + ফান্ড সংগ্রহে কিছু সিদ্ধান্ত নেয় তারা ইউরোপীয় প্রভাব মাল্টি-ক্লাব ownership বিষয় নিয়ে UEFA সিদ্ধান্ত অপেক্ষায় Olympique Lyonnais-বিশ্বের এক ঐতিহ্যবাহী ক্লাব, তবে তাদের আর্থিক নীতির ভঙ্গ হয়েছিল বেশ কয়েকবার। উপরে উল্লেখিত সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া ও আপিল ব্যবস্থা তাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে — কিন্তু তা না হলে দ্বিতীয় বিভাগে নামা তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ধাক্কা। ক্লাব ও সমর্থকদের নজর এখন শুধু খেলোয়াড়ি প্রতিযোগিতা নয়, বরং অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতা ও নিয়ন্ত্রক মান বজায় রাখা—এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে থাকবে।
ফরাসি মিডফিল্ডার পল পগবা দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে চলা ডোপিং-বানের পর ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং চূড়ান্তভাবে তিনি যুক্ত হতে চলেছেন ফরাসি ক্লাব AS মোনাকো'-তে। ⏯️ ফেরার সময়রেখা জুলাই ২০২২-এ জুভেন্টাসে ফিরে দুর্দান্ত শুরুর পরই ২০২৩ সালের আগস্টে ডোপ পরীক্ষায় পজিটিভ আসে, যা ৪ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয় ইটালিয়ান অ্যান্টিডোপিং ট্রাইব্যুনাল thesun.co.uk+15en.wikipedia.org+15footballtransfers.com+15। কিন্তু তারা সেই শাস্তি ১৮ মাসে কমিয়ে দেয়, যার ফলে মার্চ ২০২৫ থেকে পগবা আবার মাঠে নামতে পারবেন । আর এখন, জুন ২০২৫-এ জানা যাচ্ছে, তিনি মোনাকো-র সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করতে চলেছেন, যা আগামী জুন ২০২৭ পর্যন্ত থাকবে । 📝 চুক্তির বিবরণ গণমাধ্যম “লা প্যারিসিয়েন” এবং BBC জানিয়েছে পগবা মোনাকোর সঙ্গে দুই বছরের চুক্তিতে মৌখিকভাবে একমত হয়েছেন । Guardian আরও পরিষ্কারভাবে জানাচ্ছে: ২০২৩ সালের শেষ থেকে প্রতিযোগিতা থেকে দূরে থাকলেও, তিনি অবশেষে মোনাকোতে ফিরছেন, যেখানে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফ অনুরূপ জায়গা নিশ্চিত রয়েছে । পরবর্তী সপ্তাহে তাকে মেডিক্যাল পরীক্ষা দিতে হবে ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার কার প যন । 🎯 মোনাকোর পরিকল্পনা মোনাকো ২০২৪–২৫ মৌসুমে ফ্রেঞ্চ লিগে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরছে — সেখানে পগবার অভিজ্ঞতা তাঁদের মসৃণ অন্তর্ভুক্তি ও তরুণদের জন্য নেতৃত্বের প্রাধান্য জোগাবে । The Guardian লিখেছে, 'তাঁর যোগদানে মোনাকোর মিডফিল্ডে দৃঢ়তা বাড়তে পারে' । €৬–৭ মিলিয়ন পরিসরে বার্ষিক বেতন পার হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে, যা ফ্রি ট্রান্সফার হলেও প্রতিযোগিতামূলক এক ডিল । 🔄 অন্য ক্লাবের আগ্রহ পগবা ছিলেন মার্সেইয়েল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়েল মাদ্রিদ, গোল্ডন বিৎস্য চাইকার সঙ্গে সুসংলগ্ন । তবে সে-সব আগ্রহ এখন মিথ্যা বা অনিশ্চিত — তবে জুভেন্টাস ছাড়ার পর তিনি এলএফসি, মাইয়ামি ও স울 লিগের দিকে তাকিয়েছিলেন । অবশেষে, ইউরোপে থেকে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন মোনাকোই তাঁর প্রথম পছন্দ । 🌍 জাতীয় দলের আশাবাদের সাথে সম্পর্ক পগবা তার ৯১টি জাতীয় দলের ক্যাপ ও ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য । তিনি চান আগামী ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের জন্য ফ্রান্স দলে জায়গা করতে পারেন, কিন্তু ফর্ম আর ম্যাচ ফুটবল পাওয়া জরুরি । Didier Deschamps খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর মান পুনঃস্থাপনের সুযোগে আশাবাদী, যদিও ফর্মই শেষ বিচারক । ✅ সারসংক্ষেপ বিষয় অবস্থা নিষেধাজ্ঞা সমাপ্তি মার্চ ২০২৫ চুক্তি ক্লাব AS মোনাকো (২০২৫–২০২৭) চুক্তির ধরণ দুই বছর, ফ্রি ট্রান্সফার প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, Ligue 1 অন্যান্য ক্লাব আগ্রহ ছিল মার্সেইয়েল, ম্যান ইউ, রিয়েল মাদ্রিদ; MLS/সৌদি আগ্রহী ছিল জাতীয় দলের স্বপ্ন ২০২৬ বিশ্বকাপ-এ ফেরা পগবার এই মোনাকো-ফেরা প্রমাণ করে, তিনি এখনো বড় মঞ্চে খেলার ক্ষমতা নিয়ে দৃঢ় মনোভাবী। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং প্রিমিয়ারের চাইতে একটি সম্ভাবনাময় পরিবেশ চেয়েছেন। ফ্রান্স জাতীয় দলে ফেরার জন্য মাঝপথে পা ফেলতে চান। তবে, ১৮ মাসের পার্থিব জার্নি এবং শরীরচর্চার খোলিকতা এখনো সমঝোতা প্রয়োজন — সেটাই আসল পরীক্ষা।
স্পোর্টিং লিসবনের সুইডিশ স্ট্রাইকার ভিক্টর গ্যাকারেস চলতি গ্রীষ্মে ইউরোপিয়ান ফুটবলে সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি। ২০২৪–২৫ মৌসুমে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর এবার তিনি নিজেই ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। প্রিমিয়ার লিগের তিনটি বড় ক্লাব—আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং লিভারপুল—তাকে দলে নিতে মরিয়া। গ্যাকারেস কেন আলোচনায়? গত মৌসুমে স্পোর্টিং লিসবনের হয়ে গ্যাকারেস ৫২ ম্যাচে ৪৩টি গোল এবং ১৫টি অ্যাসিস্ট করেছেন। শুধু লিগে নয়, ইউরোপীয় প্রতিযোগিতাতেও তিনি নজর কেড়েছেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে। শক্তিশালী ফিনিশিং, শারীরিক শক্তি এবং গোলে নজরদারি গ্যাকারেসকে ইউরোপের সেরা স্ট্রাইকারদের কাতারে তুলে এনেছে। খেলোয়াড়ের মনোভাব সম্প্রতি একাধিক ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, গ্যাকারেস ক্লাব সভাপতিকে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আর স্পোর্টিংয়ে খেলতে চান না। প্রিমিয়ার লিগে খেলাই তার মূল লক্ষ্য, বিশেষ করে চ্যাম্পিয়নস লিগে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকলে। সূত্র বলছে, তিনি ইতোমধ্যে পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেরও জানিয়ে দিয়েছেন—তিনি ইংল্যান্ডে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ট্রান্সফার ফি এবং ক্লাবের অবস্থান গ্যাকারেসের বর্তমান চুক্তিতে একটি রিলিজ ক্লজ রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৮৫ মিলিয়ন ইউরো। স্পোর্টিং ক্লাব স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই পুরো পরিমাণ না পেলে তারা তাকে ছাড়বে না। যদিও কিছু আগে গুঞ্জন ছিল যে, ৬০ মিলিয়ন ইউরো অফার করলেই চুক্তি হতে পারে, তবে ক্লাবের সাম্প্রতিক কড়া অবস্থানের কারণে আলোচনায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। কোন ক্লাব কোথায় দাঁড়িয়ে? আর্সেনাল আর্সেনাল ইতিমধ্যে গ্যাকারেসের জন্য প্রায় ৬০ মিলিয়ন ইউরোর একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, যা স্পোর্টিং প্রত্যাখ্যান করেছে। ক্লাবটি আবারো প্রস্তাব বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের চ্যাম্পিয়নস লিগে অংশগ্রহণ নিশ্চিত, যা গ্যাকারেসের জন্য বড় প্রলুব্ধকারী হতে পারে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ম্যান ইউ গ্যাকারেসকে দলে নিতে আগ্রহী। তার এজেন্টের সঙ্গে আলোচনা চলছে। কোচিং স্টাফের পক্ষ থেকে ইতিবাচক বার্তা থাকলেও চূড়ান্ত প্রস্তাব এখনো দেওয়া হয়নি। লিভারপুল লিভারপুল গ্যাকারেসকে একটি বিকল্প স্ট্রাইকার হিসেবে দেখছে, কারণ আলেক্সান্ডার ইসাকের ট্রান্সফার সম্ভবত ভেস্তে যাচ্ছে। তবে তারা এখনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়নি। চূড়ান্ত পরিস্থিতি স্পোর্টিং লিসবন আগামী ১ জুলাই থেকে তাদের প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছে। গ্যাকারেস সেই প্রস্তুতিতে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, খেলোয়াড় হয়তো ক্লাবের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে অনুশীলন বর্জনের পথ বেছে নিতে পারেন। সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ বিষয় অবস্থা খেলোয়াড়ের ইচ্ছা ক্লাব ছাড়তে চান, প্রিমিয়ার লিগে যেতে আগ্রহী স্পোর্টিংয়ের অবস্থান ৮৫ মিলিয়ন ইউরোর রিলিজ ক্লজে অনড় আর্সেনালের অবস্থান ৬০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ম্যান ইউনাইটেড আগ্রহী, তবে প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত নয় লিভারপুল বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছে সম্ভাব্য সমাপ্তি জুলাইয়ের আগে সিদ্ধান্ত না হলে দ্বন্দ্ব বাড়তে পারে ভিক্টর গ্যাকারেসের ট্রান্সফার সাগা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইউরোপিয়ান ফুটবলের বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে থাকবে। তিনি কোথায় যাবেন—আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড না লিভারপুল? নাকি থেকে যাবেন স্পোর্টিংয়ে? উত্তরটি পেতে নজর রাখতে হবে জুলাইয়ের শুরুতে ক্লাবগুলোর আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের দিকে.
স্পেনের উদীয়মান ফুটবল তারকা নিকো উইলিয়ামসকে নিয়ে চলতি ট্রান্সফার উইন্ডোতে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন। অ্যাথলেটিক বিলবাও-এর এই তরুণ উইঙ্গার নিজেই প্রকাশ করেছেন, তিনি বার্সেলোনায় যোগ দিতে আগ্রহী। তবে অর্থনৈতিক বাধা এবং ক্লাবগুলোর অবস্থান এই সম্ভাব্য চুক্তিকে ঘিরে তৈরি করেছে নাটকীয়তা। খেলোয়াড়ের ইচ্ছা স্পষ্ট নিকো উইলিয়ামস এরইমধ্যে অ্যাথলেটিক বিলবাও ক্লাব কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন, তিনি হ্যান্সি ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনায় খেলতে আগ্রহী। একাধিক সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে, বার্সার নতুন কোচ ফ্লিকও উইলিয়ামসকে তার স্কোয়াডে পেতে আগ্রহী। ট্রান্সফার ফি ও ক্লজ নিয়ে জটিলতা নিকোর চুক্তিতে থাকা রিলিজ ক্লজ ৫৮ মিলিয়ন ইউরো, যা বার্সেলোনা পরিশোধে প্রস্তুত। তবে অ্যাথলেটিক বিলবাও চাচ্ছে পুরো অর্থ একসাথে (lump sum) বুঝে নিতে, যেখানে বার্সা চাচ্ছে কিস্তিতে (installments) পরিশোধ করতে। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে অ্যাথলেটিক লা লিগার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে। তারা চাইছে বার্সেলোনার আর্থিক অবস্থা এবং ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নীতিমালা মানা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করে দেখা হোক। বার্সেলোনার জবাব বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট হোয়ান লাপোর্তা এক বিবৃতিতে বলেছেন, "আমরা রিলিজ ক্লজ পরিশোধে প্রস্তুত এবং কোনো ধরনের গোপনীয়তা নেই। অ্যাথলেটিক যদি চায়, তারা তদন্ত করতেই পারে।" তবে লা লিগা প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের তেবাসের মতে, "বার্সেলোনা এখনো ১:১ ফিন্যান্সিয়াল নীতির আওতায় আসেনি। নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধন করতে হলে তাদের এই শর্ত পূরণ করতে হবে।" অন্য ক্লাবগুলোর আগ্রহ নিকো উইলিয়ামসকে দলে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বায়ার্ন মিউনিখ ও আর্সেনালও। তবে খেলোয়াড় নিজে জানিয়েছেন, তার অগ্রাধিকার বার্সেলোনা। এই কারণে অ্যাথলেটিক বিলবাও যদি তাকে বিক্রি করতেই চায়, তাহলে বার্সাই তার প্রথম পছন্দ। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কবে? বার্সেলোনার প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি শুরু হবে ৯ জুলাই। এর আগেই নিকোর ট্রান্সফার সম্পন্ন করতে চায় উভয় পক্ষ। তবে রিলিজ ক্লজ এককালীন না দিলে অ্যাথলেটিক তাদের অবস্থানে অনড় থাকবে বলেই ইঙ্গিত দিয়েছে। নিকো উইলিয়ামসের সম্ভাব্য বার্সেলোনা যোগদান স্প্যানিশ ফুটবল ভক্তদের মাঝে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, বার্সেলোনা কীভাবে অর্থনৈতিক জটিলতা মোকাবিলা করে তার কাঙ্খিত উইঙ্গারকে দলে ভেড়ায়।
দোহা, ২৬ জুন ২০২৫ – আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ এশিয়ান কাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান জাতীয় দল। এই দুই দল এশিয়ার সেরা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠিত এবং তাদের লড়াই ফুটবল প্রেমীদের জন্য এক আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার অধিনায়ক পার্ক চুল-হো বলেন, “আমরা ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছি এবং এখন পুরো দল প্রস্তুত সেরা পারফরম্যান্স দেখানোর জন্য। জাপানের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেলতে হলে আমাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য লাগবে। আমরা দলগত একতা ও দ্রুতগতির খেলায় বিশ্বাস করি।” অন্যদিকে, জাপানের কোচ ইয়ামামোতো শিগেরু বলেছেন, “দক্ষিণ কোরিয়া একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ, কিন্তু আমরা ইতোমধ্যে কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। খেলোয়াড়রা শারীরিক এবং মানসিকভাবে ফাইনালের জন্য প্রস্তুত।”\ এই ফাইনাল ম্যাচটি আগামী শনিবার কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত হবে এবং পুরো এশিয়া মহাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা সরাসরি সম্প্রচারে এটিকে দেখবেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ম্যাচটি গত দশকের অন্যতম উত্তেজনাপূর্ণ এশিয়ান কাপ ফাইনাল হতে চলেছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান উভয়ই তীক্ষ্ণ আক্রমণ এবং দৃঢ় রক্ষণভাগ নিয়ে মাঠে নামবে। তাদের মধ্যে কোন দল জয়ী হবে তা অনেকটাই নির্ভর করবে তাদের কৌশল, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং মানসিক স্থিতিশীলতার উপর। ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এই দুই দলের মধ্যে লড়াই শুধু জয়ের জন্য নয়, বরং এশিয়ার ফুটবলের মান উন্নয়নে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করার সুযোগ।” আগামী ম্যাচের জন্য দুই দলের প্রস্তুতি চলছে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা মোকাবেলায়। কোচরা খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির উপর জোর দিচ্ছেন যাতে তারা চাপ সামলাতে সক্ষম হয়। ফুটবল ভক্তরা এখন প্রতিক্ষায় রয়েছেন, সেই মুহূর্তের জন্য যখন এই দুই শক্তিধর দল মাঠে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে এবং নতুন ইতিহাস গড়বে।
ইউরোপ, ২৬ জুন ২০২৫ – আগামী সেপ্টেম্বরে শুরু হতে যাওয়া ইউরো ২০২৫ ফুটবল টুর্নামেন্টের উত্তেজনা ইতিমধ্যে পুরো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ইউরোপের ২৪টি সেরা জাতীয় দল কঠোর অনুশীলন ও প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রয়েছে। এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে খেলোয়াড়রা নিজেদের ফিটনেস বৃদ্ধি, কৌশলগত দক্ষতা ও দলগত সমন্বয়ের দিকে বিশেষ জোর দিচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম সেরা দল জার্মানি, স্পেন, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ইতালি ও নেদারল্যান্ডস তাদের তরুণ ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে শক্তিশালী দল গঠন করেছে। জার্মানির প্রধান কোচ হান্স মুলার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমরা ইউরো জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামছি। আমাদের তরুণ খেলোয়াড়রা গত কয়েক বছরে অনেক উন্নতি করেছে এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিলিয়ে আমরা একটি প্রতিদ্বন্দ্বী দল গড়ে তুলেছি।” স্পেনীয় কোচ মিগুয়েল রামোস নতুন কৌশল নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “ফুটবল ক্রমশ পরিবর্তিত হচ্ছে। গত কয়েক বছর আমরা একটি নতুন খেলার ধরন অনুশীলন করেছি। ইউরো ২০২৫-এ আমরা সেই নতুন কৌশল মাঠে প্রয়োগ করবো এবং প্রতিপক্ষদের চমকে দেব।” ইংল্যান্ডের কোচ লরেন্স হারপারের মতে, তরুণদের সঙ্গে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সঠিক সমন্বয় দলকে শক্তিশালী করবে, এবং তারা এই টুর্নামেন্টে উচ্চমানের খেলা প্রদর্শন করবে। তিনি বলেন, “আমাদের যুবপ্রজন্ম ফুটবলের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে। তাদের সঙ্গে অভিজ্ঞদের একসাথে কাজ করার ফলে আমরা আশাবাদী।” টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব ইউরোপের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত হবে। এবারের ইউরো ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই টুর্নামেন্টে নতুন তারকাদের আবির্ভাব হবে, যারা বিশ্ব ফুটবলের ভবিষ্যত গড়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। বিশ্ব ফুটবল বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারের ইউরো হবে গত কয়েক বছরে সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক ও উত্তেজনাপূর্ণ টুর্নামেন্ট। বিভিন্ন দল তাদের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠে নামবে এবং দর্শকদের জন্য মনোমুগ্ধকর মুহূর্ত উপহার দেবে। বিশ্বজুড়ে ফুটবল ভক্তরা উন্মুখ হয়ে অপেক্ষা করছেন এই আসরের জন্য, যেখানে তাদের প্রিয় দল এবং তারকারা একসঙ্গে ফুটবল ইতিহাস রচনা করবে।