স্বাস্থ্য

বাগেরহাটে শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ দ্বিগুণ, হামের উপসর্গে ভর্তি ৪

Icon
বাগেরহাট
প্রকাশঃ এপ্রিল ৮, ২০২৬
ছবি: প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি


 
বাগেরহাট ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। যেখানে ৪০ শয্যা রয়েছে, বর্তমানে ৮৪ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। এদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে চারজন শিশুকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মৌসুমি রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি এবং নতুন নতুন শিশুদের প্রতিদিন ভর্তি হওয়ায় শয্যা সংকট তৈরি হয়েছে। অনেক শিশুকে মেঝেতে রাখা হচ্ছে এবং অভিভাবকদের ভিড়ও বেড়ে যাওয়ায় ওয়ার্ডের পরিবেশ আরও সংকটাপন্ন হয়ে উঠেছে। এতে চিকিৎসক ও নার্সদের কাজের চাপ বেড়েছে।


শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র নার্সরা জানিয়েছেন, রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়ে যাওয়ায় চাপ থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসক ও নার্সরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। রোগীর স্বজনরা জানিয়েছেন, চিকিৎসা সেবা সন্তোষজনক হলেও খাবারের ব্যবস্থা সব শিশুদের জন্য সম্ভব হচ্ছে না, তাই অনেককে বাইরে থেকে খাবার আনার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার বলেন, “বর্তমানে ৪০ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে ৮৪ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। প্রতিদিন ২৫০ জনের খাবার তৈরি করা হয়, তাই সব রোগীকে সরাসরি খাবার দেওয়া সম্ভব নয়।”
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, অতিরিক্ত চাপ থাকা সত্ত্বেও শিশুদের চিকিৎসাসেবা অব্যাহত থাকবে।

 

স্বাস্থ্য

আরও দেখুন
গত ৩১ দিনে হাম ও উপসর্গে প্রাণ হারালো ২০০ শিশু

দেশজুড়ে হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও সন্দেহভাজন সংক্রমণে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৮ জনে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এ তথ্য জানায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের এবং সন্দেহভাজন হামে মৃত্যু হয়েছে ১৬৬ জনের। একই সময়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৭৩ জনে। চিকিৎসা শেষে ৯ হাজার ৭৭২ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং বর্তমানে আরও হাজারো রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। আঞ্চলিকভাবে ঢাকায় সংক্রমণ পরিস্থিতি সবচেয়ে গুরুতর। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ৬১ জন নিশ্চিত রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং ৫০৫ জন সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে, যেখানে দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে বলে জানানো হয়। রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগেও নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, তবে তুলনামূলকভাবে সংক্রমণের হার সেখানে কিছুটা কম বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0

খুলনায় হামে নতুন শনাক্ত ৭৪, মোট আক্রান্ত ৩৬২

ছবি: প্রতিনিধি

বাগেরহাটে শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ দ্বিগুণ, হামের উপসর্গে ভর্তি ৪

অবিবাহিত তরুণ-তরুণীদের  মধ্যে বাড়ছে এইচআইভি সংক্রমণ, প্রয়োজন সচেতনতা

ফেরদৌস আরা
শোক সংবাদ

বাঞ্ছারামপুর উপজেলার  উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফেরদৌস আরা আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৪, ২০২৬ 0

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বড় রূপান্তর: ‘স্বাস্থ্য–খাত সংস্কার’ ও শরীরে ‘পাখি–ফ্লু’ আঘাত

ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়ছে, সতর্ক থাকার পরামর্শ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

মেটালযুক্ত ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে স্বাস্থ্যঝুঁকি, হুঁশিয়ারি বিশেষজ্ঞদের

বাড়ছে শিশুদের মধ্যে হাঁপানির প্রকোপ, চিকিৎসকরা বলছেন দূষণ দায়ী

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে শিশুদের মধ্যে হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এই অবস্থার পেছনে বায়ুদূষণই মূল কারণ। জাতীয় শিশু হাসপাতালের শ্বাসযন্ত্র বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ১৫০ জন শিশু শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ শিশুই হাঁপানির লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।   দূষণই মূল দায়ী: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মেহরাজুল ইসলাম বলেন, “শিশুরা বায়ু দূষণের সবচেয়ে বেশি শিকার। ধুলাবালি, গাড়ির কালো ধোঁয়া ও শিল্পবর্জ্যের কারণে বাতাসে ভাসমান ক্ষুদ্র কণাগুলো তাদের ফুসফুসে গিয়ে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা তৈরি করছে।” তিনি আরও জানান, শুধু শহর নয়, এখন গ্রামীণ এলাকাতেও হাঁপানির হার বেড়েছে, কারণ ধানের খড় পোড়ানো, ইটভাটা ও স্থানীয় সড়কের ধুলোবালি শিশুরা সহজে সহ্য করতে পারে না।   অভিভাবকদের উদ্বেগ: রাজধানীর মুগদা এলাকার বাসিন্দা শারমিন আক্তার বলেন, “আমার ৬ বছরের ছেলের প্রতিদিন সন্ধ্যার পর কাশি ও নিঃশ্বাসের কষ্ট শুরু হয়। ডাক্তার বলেছেন, এটা হাঁপানি। মাস্ক পরানো ও ঘরের বাইরে কম যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।”   স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগ: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিশুদের হাঁপানির প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। শহরাঞ্চলে স্কুলগামী শিশুদের জন্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।   বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: চিকিৎসকরা শিশুদের ধুলাবালি ও ধোঁয়ার সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বাসায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিয়মিত ইনহেলার ব্যবহার এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।   উপসংহার: শিশুদের শ্বাসযন্ত্রের সুস্থতা নিশ্চিত করতে পরিবেশগত সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি সচেতনতা ও দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি। নইলে ভবিষ্যতে এই সমস্যা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানিফ হাসান জুন ২৫, ২০২৫ 0
নতুন ভাইরাসের আতঙ্ক: কীভাবে বাঁচবেন আপনি ও আপনার পরিবার?

নতুন ভাইরাসের আতঙ্ক: কীভাবে বাঁচবেন আপনি ও আপনার পরিবার?

করোনা পরবর্তী জটিলতায় বাড়ছে মানসিক রোগীর সংখ্যা

তুলসি পাতার ৫টি আশ্চর্য স্বাস্থ্যগুণ

0 Comments