দেশজুড়ে হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও সন্দেহভাজন সংক্রমণে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৮ জনে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এ তথ্য জানায়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের এবং সন্দেহভাজন হামে মৃত্যু হয়েছে ১৬৬ জনের। একই সময়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৭৩ জনে।
চিকিৎসা শেষে ৯ হাজার ৭৭২ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং বর্তমানে আরও হাজারো রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আঞ্চলিকভাবে ঢাকায় সংক্রমণ পরিস্থিতি সবচেয়ে গুরুতর। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ৬১ জন নিশ্চিত রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং ৫০৫ জন সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে, যেখানে দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে বলে জানানো হয়।
রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগেও নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, তবে তুলনামূলকভাবে সংক্রমণের হার সেখানে কিছুটা কম বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।
দেশজুড়ে হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও সন্দেহভাজন সংক্রমণে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৮ জনে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এ তথ্য জানায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের এবং সন্দেহভাজন হামে মৃত্যু হয়েছে ১৬৬ জনের। একই সময়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৭৩ জনে। চিকিৎসা শেষে ৯ হাজার ৭৭২ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং বর্তমানে আরও হাজারো রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। আঞ্চলিকভাবে ঢাকায় সংক্রমণ পরিস্থিতি সবচেয়ে গুরুতর। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ৬১ জন নিশ্চিত রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং ৫০৫ জন সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে, যেখানে দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে বলে জানানো হয়। রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগেও নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, তবে তুলনামূলকভাবে সংক্রমণের হার সেখানে কিছুটা কম বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফেরদৌস আরা আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে শিশুদের মধ্যে হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এই অবস্থার পেছনে বায়ুদূষণই মূল কারণ। জাতীয় শিশু হাসপাতালের শ্বাসযন্ত্র বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ১৫০ জন শিশু শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ শিশুই হাঁপানির লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। দূষণই মূল দায়ী: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মেহরাজুল ইসলাম বলেন, “শিশুরা বায়ু দূষণের সবচেয়ে বেশি শিকার। ধুলাবালি, গাড়ির কালো ধোঁয়া ও শিল্পবর্জ্যের কারণে বাতাসে ভাসমান ক্ষুদ্র কণাগুলো তাদের ফুসফুসে গিয়ে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা তৈরি করছে।” তিনি আরও জানান, শুধু শহর নয়, এখন গ্রামীণ এলাকাতেও হাঁপানির হার বেড়েছে, কারণ ধানের খড় পোড়ানো, ইটভাটা ও স্থানীয় সড়কের ধুলোবালি শিশুরা সহজে সহ্য করতে পারে না। অভিভাবকদের উদ্বেগ: রাজধানীর মুগদা এলাকার বাসিন্দা শারমিন আক্তার বলেন, “আমার ৬ বছরের ছেলের প্রতিদিন সন্ধ্যার পর কাশি ও নিঃশ্বাসের কষ্ট শুরু হয়। ডাক্তার বলেছেন, এটা হাঁপানি। মাস্ক পরানো ও ঘরের বাইরে কম যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।” স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগ: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিশুদের হাঁপানির প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। শহরাঞ্চলে স্কুলগামী শিশুদের জন্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: চিকিৎসকরা শিশুদের ধুলাবালি ও ধোঁয়ার সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বাসায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিয়মিত ইনহেলার ব্যবহার এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। উপসংহার: শিশুদের শ্বাসযন্ত্রের সুস্থতা নিশ্চিত করতে পরিবেশগত সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি সচেতনতা ও দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি। নইলে ভবিষ্যতে এই সমস্যা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।